Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

‘চুপ করে থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র থাকবে না’  

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৫১, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
‘চুপ করে থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র থাকবে না’  

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বলেছেন, এ সরকারের কাছে দাবি করে লাভ নেই। চুপ করে থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রও থাকবে না। আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই সরকারের বিদায় করে সত্যিকারের জনগণের সরকার কায়েম করতে হবে। 

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা নগরীর কেডি ঘোষ রোডের বিএনপি কার্যালয় চত্বরে খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

শাহজাহান ওমর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো দিন সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। বর্তমানের বিনা ভোটের এমপিরাও খন্দকার মোশতাকের মতো কবে বেঈমানি করে, সেটাও বলা যায় না।’  

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, তিনি রণাক্ষণেও যুদ্ধ করেছেন। বীরউত্তম খেতাব জিয়াউর রহমানের অর্জন। এ খেতাব কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।’ 

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি এবং প্রয়াত জিয়াউর রহমানের বীরউত্তম খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি মহাসমাবেশের ডাক দেয়। প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় কড়া পুলিশি বেষ্টনির মধ্যে সমাবেশ করে দলটি। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ২০২১ সাল হচ্ছে পরিবর্তনের বছর। এই বছর খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন, তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। এই বছরেই জনগণের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন। 

সমাবেশে বক্তৃতা করেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, দলের যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মশিউর রহমান, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ।

পথে নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ
নেতাকর্মীদের মহাসমাবেশ স্থলে পৌঁছাতে পথে পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছে বিএনপি। পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে নেতাকর্মী-সমর্থকরা মহাসমাবেশে অংশ নিতে পারেনি। সমাবেশে বক্তৃতায় সব বক্তা এই অভিযোগ করেন।

সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর পূর্বে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে, যাতে সমাবেশে অংশগ্রহণ না করে। রূপসা, দিঘলিয়া, তেরখাদা, ডুমুরিয়া, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা, কয়রা ও দাকোপ উপজেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বাধার মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপি এই নেতা।

নূরুজ্জামান/বকুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে