Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

বৃহস্পতিবার ভাসানচরে পৌঁছেছে ১ হাজার ৭৫৯ রোহিঙ্গা

নোয়াখালী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:০৮, ৪ মার্চ ২০২১   আপডেট: ০৮:১০, ৫ মার্চ ২০২১
বৃহস্পতিবার ভাসানচরে পৌঁছেছে ১ হাজার ৭৫৯ রোহিঙ্গা

পঞ্চমধাপের দ্বিতীয় দিন ভাসানচর পৌঁছেছে আরও ১৭৫৯ জন রোহিঙ্গা। 

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) চট্টগ্রাম থেকে নৌ-বাহিনীর পাঁচটি জাহাজে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেওয়া হয়।

এদিন ভাসানচরে নেওয়া রোহিঙ্গাদের দলটিকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় আশ্রয়ন প্রকল্পের ওয়্যার হাউজে। সেখানে নৌ-বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে ভাসানচরে বসবাসের বিভিন্ন নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন। ওয়্যার হাউজে তাদেরকে খাওয়ানো হয়। পরে বিকালে তাদেরকে তাদের জন্য তৈরি আবাসস্থল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এক হাজার ৭৫৯ রোহিঙ্গার মধ্যে নারী ৫১৫ জন, পুরুষ ৪৪৮ জন ও শিশু ৭৯৬ জন। 

পঞ্চমধাপের প্রথম অংশে গতকাল বুধবার (৩ মার্চ) দুই হাজার ২৫৭ জন রহিঙ্গা ভাসানচরে পৌঁছায়। এদের মধ্যে ৫৬৩ জন পুরুষ, ৬৬৫ জন নারী ও এক হাজার ২৯ জন শিশু ছিল।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘ভাসানচরের আশ্রয়ন শিবিরে মোট এক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এসব আবাসনে এক লাখেরও বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

উল্লেখ‌্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার দফায় কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে নয় হাজার ৫৩৬ জন রোহিঙ্গা। প্রথম দফায় গত ৪ ডিসেম্বর এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ভাসানচরে গেছেন। এরপর ২৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপে যান এক হাজার ৮০৫ জন ও তৃতীয় ধাপে দুই দিনে ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি তিন হাজার ২০০ জন রোহিঙ্গাদের ভাসানচর স্থানান্তর হয়। 

এছাড়া চতুর্থধাপের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম দিন দুই হাজার ১০ জন ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ৮৭৯ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশ্যে উখিয়া কলেজের অস্থায়ী ট্রানজিট ক্যাম্প ত্যাগ করে।

মাওলা সুজন/সনি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে