Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

‘ঘর পেয়েছি, এবার মৃত্যুর আগে স্বীকৃতি চাই’

বাগেরহাট প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৪০, ৫ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৫:৪৪, ৫ মার্চ ২০২১
‘ঘর পেয়েছি, এবার মৃত্যুর আগে স্বীকৃতি চাই’

প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমিসহ পাকা ঘর পেয়েছেন বাগেরহাটের বৃদ্ধ দম্পতি রতন কুমার বিশ্বাস (৮০) ও মনিরা বেগম (৬৫)। বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) রনসেন গুচ্ছগ্রামে নিয়ে তাদের হাতে জমির দলিল এবং ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

রতন কুমার বিশ্বাস বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা, কিন্তু স্বীকৃতি পাইনি। নিজস্ব জমি নেই। অনেক কষ্টে মেগনিতলা রাস্তার পাশে একটি ঝুপড়ির মধ্যে থাকতাম। বিভিন্ন সময় অনেকেই অনেক কিছু দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, কিন্তু কিছুই পাইনি। আজকে প্রধানমন্ত্রীর দয়ায় একটি পাকা ঘর পেলাম। তাঁকে ধন্যবাদ।’

এই বৃদ্ধ বয়সে মাথা গোজার ঠাঁই পেয়ে অনেকটাই নিশ্চিন্ত রতন বিশ্বাস। ‘মরার আগে অন্তত পাকা ঘরে থাকতে পারব ভেবে ভালো লাগছে। এবার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে জীবনে আর কিছু চাই না।’ বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন এই বৃদ্ধ।

এ প্রসঙ্গে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে জানতে পারি মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমার বিশ্বাস সহধর্মিণীকে নিয়ে সড়কের পাশে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আমি তার খোঁজ নিয়ে তাকে রনসেন গুচ্ছগ্রামে জমিসহ একটি ঘর দেওয়ার প্রস্তাব দেই। তিনি রাজি হন। বার্ধক্যজনিত কারণে দুজনই অসুস্থ। তাদের পানির সংকট দূর করতে ঘরের পাশে একটি ডিপ টিউবওয়েলও বসিয়ে দেব।
রতন বিশ্বাসের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির আবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান মুছাব্বেরুল ইসলাম।

বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন বলেন, বাগেরহাটবাসীর যে কোনো সমস্যা সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের নজরে এলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন। এটি তারই একটি উদাহরণ। এমন আরো যারা অসহায় আছেন তাদেরও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।

রতন কুমার বিশ্বাস ও মনিরা বেগম দুজনের বাড়ি বাগেরহাট সদর উপজেলার কালদিয়া গ্রামে। তারা নিঃসন্তান। দুই ধর্মের হলেও ১৫ বছর ধরে তারা সংসার করছেন। 
 

তারা

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে