Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৯ অক্টোবর ২০২১ ||  কার্তিক ৩ ১৪২৮ ||  ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

হিন্দুদের বাড়িতে হামলায় যাকে সন্দেহ হবে, তাকেই রিমান্ডে নেওয়া হবে: পুলিশ সুপার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৬, ২১ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৬:২৭, ২১ মার্চ ২০২১
হিন্দুদের বাড়িতে হামলায় যাকে সন্দেহ হবে, তাকেই রিমান্ডে নেওয়া হবে: পুলিশ সুপার

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।  তিনি বলেন, ‘যাকে পুলিশ সন্দেহ করবে, তাকে আটক করে প্রয়োজনে রিমান্ডে নেওয়া হবে।’ রোববার (২১ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ  সুপার এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্বল্পতম সময়ে চার্জশিট দেওয়া হবে। তবে, কোনো নিরপরাধ লোক এখানে হয়রানির শিকার হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘শাল্লায় জলমহল নিয়ে বিরোধ থাকলেও ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়েছে।’ 

এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে উল্লেখ করে পুলিশ  সুপার আরও বলেন ‘স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল বাদী হয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন। এ পর্যন্ত প্রধান আসামি স্বাধীন মেম্বারসহ ৩৩জনকে আটক করা হয়েছে পুলিশ। বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সহিদুর রহমান, ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ আহমদ প্রমুখ। 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাতে ফেসবুকে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের গোপেন্দ্র  দাসের ছেলে ঝুটন দাস আপনকে আটক করে  পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৫/২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। 

এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। একটির বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় সহস্রাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। এই মামলায় ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সর্বশেষ রোববার শনিবার দিবাগত রাতে দিরাই শাল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। এই নিয়ে এ পর্যন্ত মামলার প্রধান আসামী শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মেম্বারসহ ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। 

আল আমিন/এনই 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ