Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ২২ জুন ২০২১ ||  আষাঢ় ১০ ১৪২৮ ||  ১০ জিলক্বদ ১৪৪২

পালিয়ে যাওয়া ১০ করোনা রোগীর ৭ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২০, ১০ মে ২০২১   আপডেট: ১৬:২৭, ১০ মে ২০২১
পালিয়ে যাওয়া ১০ করোনা রোগীর ৭ জন গ্রেপ্তার

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর পালিয়ে যাওয়া ১০ করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 

সোমবার (১০ মে) সকালে পুলিশ যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাদের মধ্যে সাত জনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার সাত জন হলেন— যশোর শহরের পশ্চিম বারান্দিপাড়া এলাকার বিশ্বনাথ দত্তের স্ত্রী মণিমালা দত্ত (৪৯), সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপপাড়া গ্রামের মিলন হোসেন (৩২), রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের নাসিমা আক্তার (৫০), খুলনা সদর উপজেলার বিবেকানন্দ (৫২), পাইকগাছা উপজেলার ডামরাইল গ্রামের আমিরুল সানা (৫২), রূপসা উপজেলার সোহেল সরদার (১৭) এবং স্থানীয় যশোর সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা (১৯)।

পুলিশ জানায়, এপ্রিলের ১৮ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে ভারত ফেরত সাত জন ও স্থানীয় তিন জন করোনা পজেটিভ রোগী যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। ২৩ এপ্রিল সকাল ও ২৪ এপ্রিল দুপুরের মধ্যে তারা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। 

পরে হাসপতাাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ পালিয়ে যাওয়া রোগীদের শনাক্ত এবং তাদের স্বাস্থ্য দপ্তরের মাধ্যমে ফের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। 

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, গত শনিবার (৮ মে) যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ২০১৮ সালের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২৫(২) ধারায় আদালতে নন এফআইআর প্রসিকিউশন দাখিল করে। রোববার (৯ মে) আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। 

সোমবার (১০ মে) সকালে হাসপাতাল থেকে সাত জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। 

এছাড়া পরোয়ানাভুক্ত অপর তিন জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে একজন ভারত থেকে আসা এবং দুইজন স্থানীয় পর্যায়ে করোনা সংক্রমিত। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ১৮ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল সময়ের মধ্যে করোনা সংক্রমিত সাতজন যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে দেশে আসেন। এসব করোনা রোগীর মধ্যে ১৮ এপ্রিল একজন, ২৩ এপ্রিল পাঁচজন ও ২৪ এপ্রিল একজন আসেন। জরুরি বিভাগ থেকে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় করোনা ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। 

তবে ওয়ার্ডে না গিয়ে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ভারতে করোনাভাইরাসের একটি নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ায় তাদের পালানোর বিষয়টি আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এছাড়া, সেখানে স্থানীয় পর্যায়ে ভর্তি তিনজন করোনা সংক্রমিত রোগীও হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর সাত জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

রিটন/সনি

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়