ঢাকা     শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯ ||  ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩

বহিস্কৃত নেতা পেলেন ইউপি নির্বাচনের টিকিট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:২৭, ১১ অক্টোবর ২০২১  
বহিস্কৃত নেতা পেলেন ইউপি নির্বাচনের টিকিট

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় উপজেলা যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা সোহেল রানা পবন দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। 

শনিবার (৯ অক্টোবর) রাতে ভেড়ামারা উপজেলার ৬ নম্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়নের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তিন মনোনয়ন প্রত্যাশী ও দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শামিম আহমেদ বলেন, 'বিষয়টি খুবই হতাশাজনক।  একজন বহিস্কৃত নেতা কীভাবে মনোনয়ন পায়। যে মনোনয়ন পেয়েছে তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে উপজেলা ও জেলার নেতাদের সামনে গুলি, বোমা, সন্ত্রাসী তান্ডব চালানোর  অভিযোগ আছে। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে একই বছরের ৭ অক্টোবর তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়।’

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল আহমেদ বলেন, ‘অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।  সাধারণ মানুষ বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করছে না। তাঁর সন্ত্রাসী কার্যকলাপে সাধারণ মানুষ ভয়ে থাকে। তার মনোনয়ন বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।'
 
মনোনয়নপ্রাপ্ত সোহেল রানা পবন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতারা আমার প্রতি আস্থাশীল, সেই জন্যই আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে।  আর আমার বহিস্কার যুবলীগের গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।অনিয়মতান্ত্রিকভাবে আমাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আসাদুজ্জামান রানা বলেন, ‘যুবলীগের সাংগঠনিক নিয়ম হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত বহিস্কার আদেশ লাগবে।  সোহেল রানা পবনের ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।  যেটি করা হয়েছে গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল আলম চুনু বলেন, ‘সোহেল রানা পবন শৃঙ্খলাবিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে বহিস্কার হন। বহিস্কার আদেশ এখনো প্রত্যাহার হয়নি। ওই ইউনিয়ন থেকে শামিম আহমেদ উজ্জ্বল আহমেদ ও হাসান সারোয়ারের নাম আমরা সুপারিশ করে জেলার মাধ্যমে কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। অথচ যে মনোনয়ন পেয়েছে তার পক্ষে উপজেলা কমিটির কোনো সুপারিশ ছিল না।  পাঠানো তালিকায় তার নাম না থাকা সত্ত্বেও কিভাবে সে মনোনয়ন পেল এটা আমার বোধগম্য নয়।’

কাঞ্চন/মাসুদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়