Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৮ ||  ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

অব্যবস্থাপনায় চলছে গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৪৩, ২৫ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৬:৫২, ২৫ অক্টোবর ২০২১
অব্যবস্থাপনায় চলছে গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রচুর মানুষের জটলা। ভিড় ঠেলে সামনে যেতেই দেখা গেলো সেখানে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। তবে সেখানে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন প্রবনতা নেই। তাছাড়া সিরিয়াল নিয়েও রয়েছে তালবাহনা। অনেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ভ্যাকসিন না পেলেও স্বাস্থ্য কর্মীদের পরিচয়ের সুবাদে কেউ কেউ পরে এসেও আগে ভ্যাকসিন পেয়ে যাচ্ছেন। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র এটি। 

সম্প্রতি সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগ ও ডাক্তারদের চেম্বারের আশেপাশে ওষুধ বিপনন প্রতিনিধিদের আনাগোনা চোখে পড়ার মত। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ওষুধ বিপনন প্রতিনিধিরা হাসপাতাল চত্ত্বরে অবস্থান করেন। অবস্থান করাকালীন সময়ে তারা রোগীদের নিকট এক প্রকার জোর করে প্রেসক্রিপশন দেখতে চান। ওষুধ প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব এতোটাই চরমে যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেক গুরুতর অসুস্থ রোগী তাদের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, যেসব রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সেসব রোগী কিংবা তাদের স্বজনদের সঙ্গে নার্সদের দুর্বব্যবহার করেন। তাছাড়া হাসপাতালের খাবার মান নিয়ে অনেক রোগী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

৫০ শয্যা বিশিষ্ট গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্যাথোলজি বিভাগ রয়েছে। ইসিজি, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিভাগ থাকলেও এখানে রোগীদের পরীক্ষা করা হয়না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষ টেকনিসিয়ানের অভাব কিংবা মেশিন অকোজো হয়ে থাকার কারণে এ অবস্থা। 

গোমস্তাপুর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সব নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে। তবে কোন অনিয়ম চোখে পড়লে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

ঔষুধ বিপনন প্রতিনিধিদের হাসপাতালে অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তাদের শুধুমাত্র রবিবার ও মঙ্গলবার ডাক্তারের কাছে আসার নিয়ম রয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।’ হাসপাতালের খাবারের মান ভালো বলে দাবি করেন। 

তিনি বলেন, ‘ ইসিজি, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিভাগ থাকলেও মেশিনগুলো অকেজো হয়ে গেছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অচিরেই নতুন মেশিন আসবে বলে আশা করছি।

বশির/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়