Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ২১ ১৪২৮ ||  ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিশ্রামাগার তালাবদ্ধ, স্টেশনে ভোগান্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৫৯, ২৭ অক্টোবর ২০২১  
বিশ্রামাগার তালাবদ্ধ, স্টেশনে ভোগান্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় অবস্থিত আজমপুর রেলওয়ে রেলস্টেশনে যাত্রীদের বিশ্রামাগার রুম থাকলেও তালাবন্ধ রাখেন স্টেশন মাস্টার। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। স্টেশন মাস্টারের দাবি ফার্নিচার বরাদ্দ না থাকায় তালাবন্ধ করে রাখতে হয়।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সরেজমিন সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন কয়েকশত যাত্রী। সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনটি আজপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় সকাল সাড়ে ৮টায়। অন্যদিকে, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মে আসতে শুরু করেছেন যাত্রীরা। এই ট্রেনটি আজপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিবে সকাল ১০টায়।

সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনে সিলেটের মাইজগাঁও স্টেশনে যাওয়ার জন্য বিশ্রামাগারের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন রোকসানা আক্তার (৪০) নামের মধ্যবয়সী নারী। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ছোট বাচ্চা নিয়ে স্টেশনে আছি কিন্তু স্টেশন মাস্টার নারীদের বসার কোনো ব্যবস্থা রাখেননি। বিশ্রামের যে রুমটি আছে সেটিও তালা দিয়ে রেখেছেন। এতো মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের কষ্ট হচ্ছে। বিশ্রামের রুমটা তালা দিয়ে রাখা ঠিক হয়নি।’

সিলেটে যাওয়া আরেক যাত্রী হেলাল মিয়া বলেন, ‘আমার মাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য সিলেট উসমানিয়া মেডিক‌্যাল হাসপাতালে যাবো। কিন্তু স্টেশনে বসার জায়গা নেই। বয়স্ক মানুষকে স্টেশনে একটু বসতে দেবো সেই ব‌্যবস্থা নেই।’

সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনে বিমানবন্দর স্টেশনে নেমে আরবআমিরাত (দুবাই) যাওয়া যাত্রী মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ‘বিদেশ যাবো। সঙ্গে মালামাল রয়েছে। একটু বসে বিশ্রাম নিবো সে জায়গা নাই।’

ঢাকাগামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া জানান, আজমপুর স্টেশনে আন্তঃনগর ৩টিসহ লোকাল কয়েকটি ট্রেন এই স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় কিন্তু যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য সবসময়ই বিশ্রামের রুমটি তালাবন্ধ করে রাখা হয়। অনেক অসুস্থ মানুষ স্টেশনে এসে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই আমার দাবি, বিশ্রামের রুমটি যেন সবসময়ই খোলা রাখেন কর্তৃপক্ষ।

আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ শাখাওয়াত বলেন, ‘বিশ্রামাগারে ফার্নিচার না থাকায় রুমটি খুলতে পারছিনা। ফার্নিচারের জন্য আবেদন করা হয়েছে ফার্নিচার আসলেই মানুষ বসতে পারবে রুমটিতে।’

রুবেল/বুলাকী

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়