ঢাকা     বুধবার   ২৯ জুন ২০২২ ||  আষাঢ় ১৫ ১৪২৯ ||  ২৮ জিলক্বদ ১৪৪৩

লালমোহনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

মনজুর রহমান, ভোলা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:২০, ২৩ এপ্রিল ২০২২  
লালমোহনে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

ভোলার লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বড় বড় বাজারের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। কোভিড-১৯ এর কারণে গত দুই বছর পর এবার ঈদের কেনাকাটায় যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ক্রেতাদের আগমনে মুখর মার্কেটগুলো। 

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বিপণিবিতানে চলছে কেনাকাটা। দিন রাত যখনই সুযোগ হচ্ছে তখনই ঈদের কেনাকাটায় বেরিয়ে পড়ছেন নারী পুরুষেরা। তবে তুলনামূলক নারীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। তবে সন্ধ্যা হলেই ভিড় বাড়ছে বেশি। আবার অনেকেই মনে করেন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পহেলা বৈশাখ ও ঈদের কারণে এবার রমজানের শুরু থেকেই জমে উঠেছে কেনাকাটা।

উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন গজারিয়া বাজারের মার্কেটগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, কাপড়ের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এ ইউনিয়নের আশপাশের গ্রামগুলো থেকে আসছেন মানুষ। ক্রেতারা তাদের পছন্দমতো পণ্য কিনছেন। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে বাজার এখন সরব। এ ছাড়াও, জমে উঠেছে উপজেলার কর্তার হাট, লর্ডহার্ডিঞ্জ, চতলা, মঙ্গলসিকদার, নাজিরপুর, আবুগজ্ঞ, ফুলবাগিচা, শাওন বাজার, রায় চাঁদ বাজার, চৌমুনি বাজার ও গজারিয়া বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ছোট-বড় বাজারগুলো।

ফুলবাগিচা থেকে পৌরসভা মসজিদ মার্কেটে আসা ক্রেতা কামরুল হাসান বলেন, কোভিডের কারণে গত দুই বছর ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে পারিনি। এবার আগেভাগে শপিং করতে এসেছি। চলতি সপ্তাহে নিজের ও আত্মীয়স্বজনের জন্য শপিং শেষ করতে চাই। কারণ, শেষ দিকে অনেক ভিড় হয়।

ফরাজগঞ্জ থেকে ক্রেতা জান্নাত বেগম তার মেয়ের জন্য নিয়েছেন কাঁচাবাদাম নামের থ্রি-পিস এবং তার জন্য নিয়েছেন জামদানি শাড়ি। তিনি বলেন, পরিবারের সবার জন্য পোশাক নিতে আসছি। ভালো-সুন্দর কালেকশন শেষ হয়ে যাবে, তাই আগেভাগে কিনে নিয়েছি। এ ছাড়া, পোশাকের দাম একটু বেশি। ঈদ উপলক্ষে পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে হলে কিনতে হবে, তাই কিনেছি।

পৌরসভার মসজিদ মার্কেট শাড়ি ঘরের স্বত্বাধিকারী মেহেদী হাসান বলেন, গত দুই বছরে করোনার কারণে বেচাকিনা অনেক কম হয়েছে। এবছর বেচাকিনা অনেক ভালো। থ্রি-পিস, থানকাপড়, কাটাকাপড়, জামদানি শাড়ি ও বাচ্চাদের পোশাক এখন বেশি চলছে। 

এ ছাড়াও, এই মার্কেটের বিক্রেতা জাহিদ হাসান জানান, এবছর কাঁচাবাদাম, বিভোর, বুটিক, ফ্যাশন ও রিমিক্স থ্রি-পিসের বেশি চাহিদা। 

গজারিয়া বাজারের সোহাগ গার্মেন্টসের মালিক মো. সোহাগ বলেন, গত দুই বছর করোনার কারণে দোকানে যে লোকসান হয়েছে, আশাকরি এবছর তা কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবো। এ ঈদে মেয়েদের বেশি চায় কাঁচাবাদাম নামের থ্রি-পিস।

লালমোহন থানার (ওসি তদন্ত) এনায়েত হেসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট এরিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের একটি টিম সবসময় টহল দিচ্ছে। যানজট নিরসনেও বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছে পুলিশ।

/মাহি/

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়