ঢাকা     সোমবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||  আশ্বিন ১১ ১৪২৯ ||  ২৯ সফর ১৪৪৪

গাইবান্ধার ৭ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত বাঁধে ফাটল

গাইবান্ধা সংবাদদাতা  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৫, ২০ জুন ২০২২   আপডেট: ১৮:০১, ২০ জুন ২০২২
গাইবান্ধার ৭ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত বাঁধে ফাটল

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর প্রায় সাত কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত বাঁধের অন্তত ২২টি পয়েন্টে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বাঁধ রক্ষার ব্যবস্থা করা না হলে চলতি বন্যায় এই বাঁধটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ মাটি দিয়ে এই বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও বালু দিয়ে দায়সাড়া গোছের কাজ করেছে কর্তৃপক্ষ।   

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে কেতকির হাট পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র -যমুনা নদের পাশ দিয়ে ১৩ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। দরপত্র ও ঠিকাদারের মাধ্যমে ২০২০ সালে শুরু হওয়া বাঁধ নির্মাণের কাজ শেষ হয় ২০২২ সালে। আর এই কাজে ব্যয় করা হয় সাত কোটি টাকা। 

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম পারভেজ জানান, দুর্নীতি এবং অনিয়ম করা হয়েছে বাঁধটি নির্মাণের ক্ষেত্রে। মাটির জায়গায় বালু ব্যবহার ও বাঁধের ধার ঘেষে ভেকু দিয়ে বালি তোলার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে ।

কঞ্চিপাড়ার বাসিন্দা ও সাবেক মেম্বর ভুট্টু মিয়া বলেন, বাঁধ নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা শুধু পানিতে ফেলা হয়েছে। যে কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ করা হলো তা হয়তো হবে না । এই বাঁধের উপর নির্ভর করছে গাইবান্ধা জেলা শহরসহ কয়েকটি উপজেলা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ কাজের মান ভালো ছিলো না বলেই অল্প দিনেই বাঁধটিতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাঁধের উপরের বালি পানিতে গলে পরে যাচ্ছে। ফলে সবার মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। 

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, বাঁধের কাজে বালি ও মাটি মিশ্রিত আছে। তবে বাঁধের পাশ থেকে ভেকু দিয়ে বালি তুলে বাঁধ তৈরী করার কথা অস্বীকার করেন তিনি। ফাটল দেখা দেওয়া স্থানগুলো দ্রুত মেরামত করা হবে বলেও আশ্বাশ দেন তিনি। 

দয়াল/ মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়