ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১১ আগস্ট ২০২২ ||  শ্রাবণ ২৭ ১৪২৯ ||  ১২ মহরম ১৪৪৪

নাটোরে সাড়ে ৩ লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত 

নাটোর প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৩৪, ২ জুলাই ২০২২  
নাটোরে সাড়ে ৩ লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত 

নাটোর জেলায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নাটোরে জমে উঠেছে পশু বেচাকেনা। কোরবানি উপলক্ষে হাটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়।

নাটোর জেলার নলডাঙ্গা হাট, তেবাড়িয়া হাট, বড়াইগ্রাম উপজেলার মৌখাড়া হাট, বাগাতিপাড়ার পেড়াবাড়িয়া, গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড়, হাট ঘুরে দেখে গেছে, হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় বেচা কেনা কম। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের এখনও এক সপ্তাহ বাকি। আরও দু’এক দিন পর বিক্রি বাড়বে।

নাটোর জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় তিন লাখ ৪৬ হাজার ৫৭৫টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্য নাটোর সদর উপজেলায় ৫৮ হাজার ৭৬০টি, বাগাতিপাড়া উপজেলায় ২৭ হাজার ৯১৮টি, নলডাঙ্গা উপজেলায় ২৯ হাজার ২৮০টি, লালপুর উপজেলায় ৪১ হাজার ৯০৭টি, গুরুদাসপুর উপজেলায় ৮৫ হাজার ১০০টি, সিংড়া উপজেলায় ৫৫ হাজার ১০১টি এবং বড়াইগ্রাম উপজেলায় ৪৮ হাজার ৫০৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে।

এবছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় দু'টি অনলাইন প্লাটফর্ম 'নাটোর পশুর হাট' ও 'অনলাইন ডিজিটাল পশুর হাট' থেকে কোরবানির পশু কেনাবেচাসহ ব্যক্তি উদ্যোগে এবং খামারসহ প্রায় ৫৫ থেকে ৬০টি ফেসবুক প্লাটফর্মে কোরবানির পশু কেনাবেচা কাজ শুরু হয়েছে।

নাটোর সদর উপজেলার খামারি রহিম শেখ বলেন, ৫ বছর আগে শখের বশে একটি খামার তৈরি করি। আমার খামারে বর্তমানে ৯টি ষাঁড় রয়েছে। যার মধ্য তিনটি গরু বিক্রি করেছি। বাকি গরু ঈদের আগে বিক্রির আশা করছি। যদি এমন দাম থাকে তাহলে লাভ করতে পারবো।

পশু কিনতে আসা আনিসুর রহমান সাজু নামে এক ক্রেতা বলেন, প্রতি বছর খামার থেকে গরু কিনে থাকি। খামার থেকে গরু কিনলে সুবিধা রয়েছে, ঈদ পর্যন্ত গরু খামারে রাখা যায়। বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে এ বছর গরুর দামটা বেশি।

হাটে গরু কিনতে আসা বদর উদ্দিন মণ্ডল নামে এক ক্রেতা বলেন, কোরবানি করার জন্য মাঝারি গরু কিনতে চাই। এবছর গরু প্রতি ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাম বেশি মনে হচ্ছে।

নাটোর জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, নাটোর জেলায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোরবানির পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। খামারগুলোতে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পশু উৎপাদনে খামারিদের প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে নিয়মিত পরামর্শসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হচ্ছে।

আরিফুল ইসলাম/ইভা 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়