ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||  আশ্বিন ১৪ ১৪২৯ ||  ০২ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

বাগেরহাটে কারাগার ঘেঁষে ভবন নির্মাণ, অপসারণ দাবি স্থানীয়দের

বাগেরহাট প্রতিনিধি  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৩৪, ১৩ আগস্ট ২০২২  
বাগেরহাটে কারাগার ঘেঁষে ভবন নির্মাণ, অপসারণ দাবি স্থানীয়দের

বাগেরহাট জেলা কারাগারের প্রাচীর ঘেঁষে নির্মাণ করা ভবন অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে স্থানীয়দের পক্ষে এই দাবি জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার আনোয়ার। এ সময় অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, অধ্যাপক সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরদার আনোয়ার হোসেন বলেন, স্থানীয়দের হাঁটার জন্য তিন ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে গণপূর্তি বিভাগ বাগেরহাট জেলা কারাগারের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে। কারাগারের পূর্বপাশের বাসিন্দারা ওয়ালের পাশে ১২ ফুট জায়গা রেখে তাদের বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন। কিন্তু পশ্চিমপাশে মিঠু তরফদার নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে কারাগারের সীমানা ঘেঁষে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে দুই তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। এর ফলে কারাগারের বন্দিদের নিরাপত্তা যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে, তেমনি কাগাগারের পশ্চিম পাশে এলাকাবাসীর যাতায়াতেও বিঘ্ন ঘটছে। এ বিষয়ে বার বার কারা কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মেলেনি।  

সরদার আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘মিঠুকে পর্যাপ্ত জমি রেখে ভবন নির্মাণ করতে বললে তিনি বখাটেদের দিয়ে আমাকে হুমকিও দেন এবং টাকা চেয়েছেন।’ ওই ভবন ও ভবনের পাশের বাউন্ডারি ওয়াল অপসারণ করে এলাকাবাসীর যাতায়াতের সুব্যবস্থা করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে ভবনের মালিক মিঠু তরফদার বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে দুই তলার উপরে করতে নিষেধ করেছিল। তাই দুই তলা করেই আমি ভবন নির্মাণ বন্ধ করেছি। এ ছাড়া আমার জমির পিছনে সরদার আনোয়ারের কয়েক বিঘা জমি রয়েছে। যার কারণে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেছেন।’

বাগেরহাটের জেলা কারাগারের সুপার কামরুল হুদা বলেন, ‘স্থানীয়দের হাঁটার জন্য তিন ফুট জমি ছেড়ে আমাদের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মান করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অন্যপাশের জমির মালিকও তিনফুট ছেড়ে ভবন নির্মাণ করবেন। কিন্তু মিঠু তরফদার ভবন ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো জমি রাখেননি। তারপরও তিনি দুই তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। যার ফলে জটিলতা তৈরি হয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘মিঠু তরফদার যখন ভবন নির্মাণ করেন তখন তাকে মৌখিকভাবে জমি রেখে ভবন নির্মাণ করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি আমাদের নিষেধ শোনেননি।’ 

ভবনের বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিতভাবেও জানিয়েছিন বলে জানান। 
 

টুটুল/বকুল 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়