ঢাকা, সোমবার, ৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

রুশো-মুশফিকের লড়াইয়ে জিতল কে?

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-১৭ ১১:১১:০৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-১৮ ২:৩৫:০৩ এএম

বল ও রানের ব্যবধান ছিল আকাশচুম্বি। বিপিএলের শিরোপা পেতে হলে মুশফিকুর রহিমকে অলআউট অ্যাটাকে যেতেই হতো।

কিন্তু দলের প্রয়োজন মেটাতে পারলেন না। আন্দ্রে রাসেলের ভয়ানক ইয়র্কারে মুশফিক আউট। শেষ মুশফিকুর রহিমের বিপিএলের শিরোপার স্বপ্ন! শিরোপার পাশাপাশি মুশফিক হতে পারলেন না টপ স্কোরারও।

৪৯১ রানে শেষ মুশফিকের বিপিএল। তার থেকে মাত্র ৪ রান বেশি করেছেন সতীর্থ রাইলি রুশো। এ নিয়ে টানা দুবার রুশো বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

বিপিএলের পঞ্চম আসরে রংপুর রাইডার্স ১৪ ম্যাচে করেছিলেন ৫৫৮ রান। এবার খুলনার হয়ে খেলা এ ক্রিকেটার করলেন ৪৯৫ রান। শীর্ষস্থান নিয়ে দুজনের মধ্যেই লড়াই হচ্ছিল। ফাইনালের আগে রুশোর রান ছিল ৪৫৮, মুশফিকের ৪৭০। মিরপুরে লক্ষ্য তাড়ায় মুশফিকের ব্যাট থেকে আসল ২১, রুশোর ৩৭। তাতেই মুশফিককে টপকে রুশো আবার শীর্ষে।

১৪ ম্যাচে ৪৫ গড়ে ৪৯৫ রান করেছেন রুশো। স্ট্রাইক রেট ১৫৫.১৭। ৪২ চার ও ২৩ ছক্কা হাঁকিয়েছেন এ বাঁহাতি। মুশফিক ৪৯১ রান করেছেন ১৪৭.০০ স্ট্রাইক রেটে। ৫১ চার ও ১৫ ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।

লিটন কুমার দাশ ও শোয়েব মালিক থেমেছেন একই রানে, ৪৫৫। ফাইনালের মঞ্চে দুজনের কেউ-ই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। লিটন আউট হয়েছেন ২৫ রানে। শোয়েব মালিকের ব্যাট থেকে এসেছে ১০ রান। তবে এর আগে পুরো টুর্নামেন্টে হেসেছে তাদের ব্যাট।

সেরা তিনে থেকে লিটন শেষ করেছেন বিপিএল। ১৫ ম্যাচে ৩২.৫০ গড়ে তার রান ৪৫৫। ডানহাতি ওপেনারের স্ট্রাইক রেট ১৩৪.২১। বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন ৪৭টি, ওভার বাউন্ডারি ১৫টি। সর্বোচ্চ রান ৭৫। লিটনের উদ্বোধনী জুটিতে পেয়েছিলেন দারুণ সঙ্গ। আফিফের সঙ্গে তার সাতটি জুটি পঞ্চাশ ছাড়ায়। তাদের শোয়েব মালিক সমান ম্যাচে সমান রান করেছেন। ব্যাটিং গড় ৩৭.৯১। স্ট্রাইক রেট ১৩০.০০। ৪০ চার ও ১৭ ছক্কা হাঁকিয়েছেন পাকিস্তানের এ ক্রিকেটার।

এবারের বিপিএলে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি আসে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ব্যাটসম্যান ডেভিড মালানের ব্যাট থেকে। বিপিএল জুড়েই হেসেছে তার ব্যাট। কিন্তু মালানের দল উঠতে পারেনি সেরা চারে। লিগ পর্বে ১১ ম্যাচে ৪৪৪ রান করেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার। ১৪৫.০৯ তার স্ট্রাইক রেট। ৩৫ চার ও ১৯ ছক্কা হাঁকিয়েছেন মালান। স্ত্রীর অসুস্থততায় এক ম্যাচ খেলতে পারেননি। ওই ম্যাচে খেললে নিশ্চয়ই আরেকটি বড় ইনিংস আসত তার ব্যাট থেকে।

ইমরুল কায়েসের পারফরম্যান্স উঠা-নামা করলেও তার এবারের পারফরম্যান্স ছিল মনোমুগ্ধকর। ১৩ ম্যাচে ৪৪২ রান করেছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের এ ব্যাটসম্যান। ৪৯.১১ গড়ে রান করেছেন ইমরুল। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখে পড়ার মতো, ১৩২.৩৩। গোটা টুর্নামেন্টে ৩৭ চার ও ২২ ছক্কা হাঁকিয়েছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এ ব্যাটসম্যান।

 

ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল