ঢাকা     শুক্রবার   ১৪ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭ ||  ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক কারাগারে

সেন্ট্রাল ডেস্ক: || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:৫৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১২  
সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক কারাগারে

রাইজিংবিডি২৪.কম,ঢাকা:

অবৈধ সম্পদের মামলায় জামিনের আবেদন নাকচ করে মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাবেক সহকারী ওমর ফারুক তালুকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ফারুকের স্থায়ী জামিন আবেদনের শুনানি শেষে জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন সোমবার এ আদেশ দেন। গত ২৭ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে স্থায়ী জামিনের আবেদন জানান ফারুক। বিচারক ওইদিন ফারুকের জামিন সোমবার পর্যন্ত বহাল রেখে আবেদনটি শুনানির জন্য অবকাশকালীন বেঞ্চে পাঠান।

বিপুল পরিমাণ অর্থসহ ধরা পড়া ফারুকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ২৬ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুর রেজা। এতে বলা হয়, ফারুক কমিশনে সম্পদের প্রকৃত তথ্য দেননি। আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ থাকার অভিযোগ এনে গত ১৪ অগাস্ট রমনা থানায় রাশেদুর রেজা এ মামলা করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওমর ফারুক অবৈধভাবে ১ কোটি ৪২ লাখ ৭৩ হাজার ১৮০ টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। এছাড়া তিনি সম্পদ বিবরণীতে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকার তথ্য গোপন করেছেন।

গত ৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের ফটকে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারী ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে বিপুল অর্থ পাওয়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল ওঠে।

ফারুকের সঙ্গে সেদিন ৭০ লাখ টাকা পাওয়া যায় বলে গণমাধ্যমের খবর আসে, যদিও ওই টাকা নিজের বলে দাবি করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রেলে নিয়োগে ঘুষ হিসেবে নেওয়া হয়েছিল ওই অর্থ।

রেলের বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহা ব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা এবং কমান্ড্যান্ট এনামুল হকও ওই গাড়িতে সেদিন ফারুকের সঙ্গে ছিলেন।

ওই ঘটনার পর এপিএসকে বরখাস্ত করেন সুরঞ্জিত। এরপরও অব্যাহত সমালোচনার মুখে রেল মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। পরে তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে রাখা হয়।

ইউসুফ মৃধা ও এনামুলকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে যে ব্যক্তি এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনেন বলে বলা হচ্ছে, সেই গাড়িচালক আজম খান ঘটনার পর থেইেক নিখোঁজ। অজ্ঞাত স্থান থেকে সম্ú্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আজম দাবি করেন, ফারুকের কাছে পাওয়া ওই অর্থ রেলে নিয়োগে ‘ঘুষ’ হিসেবে নেয়া হয়েছিল এবং ওই টাকা সুরঞ্জিতের বাড়িতে যাচ্ছিল। তবে সুরঞ্জিত ওই বক্তব্য উড়িয়ে দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজম খানকে তলব করলেও তিনি যাননি।

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়