ঢাকা     সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭ ||  ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ফখরুল কারাগারে

প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আধাবেলা হরতাল ১৮ দলের

সেন্ট্রাল ডেস্ক: || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:০৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১২  
প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার আধাবেলা হরতাল ১৮ দলের

পুলিশের রিমান্ড আবেদনের পাশাপাশি জামিনের আবেদনও নাকচ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার হরতালের আগে সোমবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে। এদিকে তাকে মুক্তি না দিলে ১৮ দল বৃহস্পতিবার আধাবেলা হরতাল পালনের ঘোষনা দেয়। তবে মুক্তি দিলে হরতাল প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন বলেন ১৮ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা জানিয়েছেন।

রোববারের (৯ ডিসেম্বর) অবরোধের দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতের আবেদন জানিয়ে মঙ্গলবার বিকালে ফখরুলকে ঢাকার হাকিম আদালতে আনে পুলিশ। বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের বিক্ষোভের মধ্যেই পুলিশ গাড়িতে করে ফখরুলকে আদালতে নিয়ে আসে। রিমান্ড আবেদনের শুনানিতেও ছিল উত্তাপ। পল্টন ও শেরেবাংলা নগর থানার দুটি মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আলী হোসেন ও তানবীর আহম্মেদের আদালতে ফখরুলের রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়। দুই আদালতেই শুনানি শেষে দুই বিচারক রিমান্ড আবেদন নাকচ করেন, সেই সঙ্গে নাকচ করেন জামিনের আবেকদনও। আদালতের আদেশে এরপর মির্জা ফখরুলকে কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই সময় বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা আদালতে বিক্ষোভ করে।


এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুক্তি দাবিতে বৃহস্পতিবার আধাবেলার এই কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত শনিবার সংঘাতময় রাজপথ অবরোধের পর মঙ্গলবার দিনব্যাপী হরতাল ডাকে বিরোধী দল। ওই কর্মসূচির শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুলের মুক্তি দাবিতে সপ্তাহের শেষ দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার।

নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মী পরিবেষ্টিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বুধবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে হরতাল হবে।” অবরোধে গাড়ি ভাংচুরের মামলায় সোমবার গ্রেপ্তার ফখরুলকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অবরোধের ৩৮টি মামলার প্রায় সব কটিতে তাতে আসামি করা হয়েছে।

এম কে আনোয়ার বলেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মুক্তি পেলে হরতালের কর্মসূচি পুনর্বিবেচনা করবেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে এম কে আনোয়ারের সঙ্গে ছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুল লতিফ জনি, হাবিব-উন নবী খান, রেহানা আখতার রানু, নিলোফার চৌধুরী মনি, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া প্রমুখ।

 

 

 

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়