ঢাকা, রবিবার, ১২ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ভর্তিচ্ছুদের প্রসংশায় ভাসছে হাবিপ্রবি

সোয়াদুজ্জামান সোয়াদ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-০৬ ১০:২০:৪৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-০৬ ১০:২০:৪৫ পিএম

চারদিনের ভর্তি যুদ্ধ শেষ। ৯৬ হাজার ৪০০ রোলের ভিড়ে সেরা ২০০৫ টি রোল নম্বরে নিজের রোলটার খোঁজ মিললে হয়তো আবার ফিরবে তবে শিক্ষার্থী হয়ে। আপন করে নিতে পারবে ১৩৫ একরের সবুজে ঘেরা ছায়াবৃত লাল-সাদা ইটের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (হাবিপ্রবি)।

কিন্তু রোলের খোঁজ মিলবে কিনা সেটা কেউই আগে বলতে পারে না।  তবে দিনাজপুর শহর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরের এই  ক্যাম্পাসকে যে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মনে ধরেছে সেটা বলতে দ্বিধা করছেন না তারা।

অতিথিপরায়ন হবিপ্রবিয়ান ও সৌন্দর্যমণ্ডিত হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যের প্রসংশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অ‌্যাডমিশন টেস্ট’  সহোযোগিতার জন্য ফেসবুক গ্রুপগুলোতে।

আল আমিন পারভেজ নামে এক পরীক্ষার্থী লিখেছেন, ‘হাবিপ্রবিরে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সেই জানে হাবিপ্রবিরে ভোলা কি কঠিন।’ আবার নাজমুল হক নামে আর একজন লিখেছেন, ‘হাবিপ্রবির বড় ভাই ও আপুরা খুবই হেল্পফুল। বিশেষ করে রোভার স্কাউট এর ভাইয়া ও আপুরা। আপনাদের কাছে চির ও ঋণী হয়ে গেলাম। আপনাদের সাহায্য ও সহযোগিতা কখনও ভুলা যাবে না। আপনারা সকলে ভালো থাকবেন। আর এভাবেই ছোট ভাই ও বোনদের সাহায্য করবেন।’

শুভ্র নামে একজন আক্ষেপের সাথে লিখেছেন, ‘হাবিপ্রবি এত সুন্দর! আর সবাই এত হেল্পফুল! আগে জানলে খুব ভালো প্রিপারেশন নিতাম।’

আশরাফ নিপোন নামের এক পরীক্ষার্থী হাবিপ্রবিকে জোস ক্যাম্পাস বলে লিখেছেন, ‘আমি ত ক্যাম্পাসের প্রেমে পড়ে গেসি। জোস ক্যাম্পাস।’

জন তালুকদার নামে এক অভিভাবক সুযোগ পেলে হাবিপ্রবিতে পড়তে  চান বলে লিখেছেন, ‘সত্যি-ই এই ক্যাম্পাসের মায়ায় পরে গেলাম, যদিও আমি কোনো পরিক্ষার্থী ছিলাম না। আর সে গণ্ডিও পার হয়ে গেছে তবুও মনে হয় সুযোগ যদি সৃষ্টিকর্তা আমাকে দিতেন আমি নিশ্চয়ই চেষ্টা করতাম হাবিপ্রবি তে এড হতে। এগিয়ে যাক হাবিপ্রবি।’

চলে যাওয়ার সময় নাকি শারমিন ইসলাম সিমরান নামের একজনের নাকি খুব খারাপ লাগছিল। তিনি লিখেছেন, ‘হাবিপ্রবি থেকে চলে আসার সময় কেন জানি না খুব বেশি খারাপ লাগতেছিল, আল্লাহ জানে স্বপ্নের ক্যাম্পাসে চান্স হবে কি না।’

এছাড়াও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট দেখে মুগ্ধ, কেউ আবার ফোয়ারা চত্ত্বরের হরেক রঙের পানি দেখে কেউ আবার লাইব্রেরি বইয়ের সমৃদ্ধতা দেখে। দুষ্ট ছেলেরা বড় আপুদের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছে বলেও লিখেছেন।

এই প্রসংশার মূলে যে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যই সব তা কিন্তু না এর জন্য হাবিপ্রবি প্রশাসন, দিনাজপুর জেলা প্রশাসন, বাশেরহাট মেস মালিক সমিতি, সাংবাদিক সমিতি, রোভার স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ সকল সংগঠন ও হেল্প ডেস্ক জড়িয়ে। যাদের কথা না বললে নয় তারা হচ্ছে নিজের পকেটের টাকা খাইয়ে রুম ছেড়ে মেজেতে রাত্রীযাপন করা হাজারো হাবিপ্রবিয়ান।


হাবিপ্রবি/সোয়াদুজ্জামান/সাইফ