ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৪ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

করোনা পরবর্তী শিক্ষা ও আমাদের ভূমিকা

সাইফুল ইসলাম রনি : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৬-০৪ ৫:২২:২৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৬-০৪ ৭:১৪:১২ পিএম

করোনা মহামারির এই সময়টা নিশ্চয়ই কেটে যাবে একদিন। আমাদের বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারও প্রাণচাঞ্চল্য হয়ে উঠবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠবে প্রতিটি ক্যাম্পাসের আঙ্গিনা। কিন্ত বর্তমান সময়টা আরও দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামীর শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হবে? করোনার কারণে তৈরি হওয়া অনলাইন-আর অফলাইনের শিক্ষার এই বৈষম্য আমরা কি সমাধান করতে পারবো?

সমাধান করতে গেলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, শিক্ষায় উদ্ভাবনীয় ব্যক্তিদের ভূমিকা অথবা শিক্ষায় যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁদের ভূমিকাই বা কী হবে, তা নিয়েই আলোকিত হৃদয় ফাউন্ডেশনের শিক্ষকদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আলোকিত টিচার্স আয়োজন করেছিলো ‘কোভিড-১৯ এবং এর পরবর্তী শিক্ষা পুনঃপরিকল্পনা’ শিরোনামে তিনটি প্যানেল ডিসকাশন। প্রথম প্যানেল ডিসকাসনটি ছিলো শিক্ষা উদ্ভাবনীয় ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে। অংশ নিয়েছিলেন শ্রেণির পাঠকে বাস্তবিক করে তোলার জন্য কাজ করে যাওয়া নেপালের ‘কারখানা’ নামক প্রতিষ্ঠানের প্রধান পবিত্র বাহাদুর, ছিলেন বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা লাইট অব হোপের প্রধান ওয়ালিউল্ল্যাহ ভূঁইয়া। দ্বিতীয় প্যানেল ডিসকাশনে ছিলেন অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে। প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদ, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ আফজাল হোসেন সারোয়ার, যাত্রা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আনুশেহ অনাদলি, ঢাকা সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহরিন মোরশেদ এবং প্যানেলের মডারেটর ছিলেন আকিউম্যান একাডেমির ফেলো শাকিল আহমেদ।

তৃতীয় প্যানেল ডিসকাসনটির বিষয় ছিলো শিক্ষা পুনঃপরিকল্পনায় শিক্ষায় নেতৃত্ব যাঁরা দিচ্ছেন তাঁদের ভূমিকা নিয়ে। প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ, লেখক এবং শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, এটুআই প্রোগ্রামের পলিসি এডভাইসার আনির চৌধুরী, লিডারশীপ ফর ইকুইটি, ইন্ডিয়া-এর প্রতিষ্ঠাতা মাধুকর বানুরী এবং মডারেটর হিসেবে ছিলেন আলোকিত হৃদয় ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আযওয়া নাঈম। আমরা কীভাবে আগামীকালকের বিশ্বে একটি বৃহত্তর উদ্দেশ্য পরিবেশন করতে পারি, মহামারি চলাকালীন এবং পরবর্তী মহামারিগুলোর জন্য প্রচেষ্টার সম্মিলিত বুদ্ধি গঠনের কীভাবে একটি সুযোগ হবে, শিক্ষায় কতটুকু সংস্করণ করা প্রয়োজন অথবা সংস্করণ করতে হলে কোন কোন বিষয়গুলো আমাদের ভেবে দেখা  দরকার, তা আলোচনায় উঠে আসে। শিক্ষা পুনঃসংস্ককরণে শিক্ষা কাঠামো, শিক্ষাক্রম ,পাঠ্যক্রমসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী বা বিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় আর যা বের হয়ে এসেছে, সেই বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।    

কারিকুলাম পুনঃসংস্করণ 

কারিকুলাম শিক্ষার গতি পথ নিয়ন্ত্রণ করে। শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, করোনা মহামারির পর আগামী কারিকুলাম গতানুগতিক হবে না। বর্তমান সময় ও আগামীর কথা মাথা রেখেই কারিকুলাম পুনসংস্করণ করা জরুরি। তাঁরা মনে করেন, বর্তমানে প্রয়োজন কমিউনিটি বেইসড বা ক্রাউড সোর্স কারিকুলাম। যার মাধ্যমে শিক্ষা যতটুকু কমিউনিটির প্রয়োজন, ততটুকু কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কমিউনিটি বেইসড কারিকুলামের ফলে শিক্ষা বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব। কারিকুলাম প্রস্তুতিতে অবশ্যই শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয় করতে হবে। জরুরি অবস্থায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা কী হবে তা সুনির্দিষ্ট করে দিতে হবে। জীবনমুখী ও প্রাকৃতিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিতে হবে অনেক। দক্ষতা ভিত্তিক কারিকুলামের পাশাপাশি বাস্তবমুখী নানা কার্যক্রমও কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

এডুকেশনাল রিসোর্স

প্যানেল ডিসকাশনে আলোচকরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের শিখনের জন্য যুগোপযোগী এডুকেশনাল রিসোর্স প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইগুলো আরও যুগোপযোগী এবং বিস্তৃত করে তৈরি করতে হবে। প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের  সাথে একটা করে ওয়ার্কবুক তৈরি করে দিলে শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে বাড়ির কাজগুলো নিজেরাই সম্পূর্ণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীদের পড়া মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আনতে হবে পরিবর্তন। প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম যেমন হোয়াটস আপ, ইমু, ভাইভার, ফেইসবুক, ইউটিউব এবং জুম ব্যবহার করে সহজে কীভাবে শিক্ষার্থীদের পড়া মূল্যায়ণের পরিবর্তন আনা যায়, তা নিয়ে আরও চিন্তা করতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য  ইন্টারনেট, কম্পিউটার, রেডিও, টেলিভিশন এবং মোবাইল ফোনের ব্যবহার আরও সহজলভ্য করে তুলতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা প্রদানের জন্য ফিচার ফোন এবং বাইটস সাইজ এডুকেশন চালু করার কথা উঠে এসেছে।

২১ শতকের দক্ষতা

আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষৎ। সময়ের সাথে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের ২১ শতকের দক্ষতায় দক্ষ করে তুলতে হবে। ২১ শতকের দক্ষতাগুলো যেমন জটিল চিন্তা ও সমস্যা সমাধান, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সহযোগিতামূলক ও দলগত দক্ষতা, নৈতিকতা ও সহমর্মিতা, সক্রিয়তা  নিয়ে আরও ভাবতে হবে। বর্তমান সময়ে এই দক্ষতাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামীর সম্ভাবনাগুলো নিরুপন করে শিক্ষার্থীদের দিয়ে দক্ষতাগুলোকে কার্যকরী করে তুলতে হবে। এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জটিল চিন্তা করা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা। শিক্ষার্থীরা এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আগামীর সময়কে খুব সহজে মোকাবিলা করতে পারবে। 

মনস্তাত্বিক শিক্ষা

বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে আরও সুদৃঢ় ও আত্মপ্রত্যায়ী হওয়ার জন্য মনস্তাত্বিক শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো জরুরি সময়ে যেকোনো সমস্যা  সবার সহযোগিতা নিয়ে কীভাবে কাটিয়ে উঠা সম্ভব এবং মানসিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করার উপায়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও মানসিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমেও একে অপরের পাশে এসে সহযোগীতা ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার উপায়গুলো ও আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। শিক্ষকেরা একে অন্যের পাশে এসে দাঁড়ানোর সুযোগগুলো আরও বাড়াতে হবে।

প্রথায় আবদ্ধ শিক্ষা নাকি সিলেবাসের বাইরে পরিকল্পনা করা 

শিক্ষার্থীরা যেন প্রাকৃতিকভাবে শিখতে পারে সেই চেষ্টা করতে হবে। হোম স্কুলিং এর মাধ্যমে বাসায় বসে কীভাবে হাতে-কলমে কিংবা খেলাধুলার মাধ্যমে শিখতে পারে সেই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করতে হবে। সিলেবাসে আবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীর নিজস্ব চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। শিক্ষার পদ্ধতিগুলো হোক সমস্যা ভিত্তিক, প্রজেক্ট ভিত্তিক, ধারণা বা অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন।

শিক্ষা বাজেট

আমাদের দেশে জিডিপির মাত্র ২.২ শতাংশ বরাদ্ধ করা হয় শিক্ষায়, যা অপ্রতুল। বর্তমান সময়ের শিক্ষার এই বৈষম্যতা দূর করার জন্য সরকারের শিক্ষা ক্ষেত্রে বাজেট আরও বাড়াতে হবে। সমস্যা ও চেলেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন নতুন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে হবে। স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য দিতে হবে নানা প্রণোদনা, যেন তারা রিসোর্স ও কনটেন্টের মান ও সংখ্যা আরও বাড়াতে পারেন। সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ে তৈরি করতে হবে এডুকেশন-ফান্ডিং। বাজেট তৈরির আগে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিতে হবে। 

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনাশিপ

এই সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়। সরকারের রয়েছে পরিকল্পনা ও শিক্ষানীতি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর রয়েছে কাজের বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং প্রচুর রিসোর্স। আগামীর সময়কে মোকাবিলা করার জন্য যৌথভাবে কাজ করতে হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপগুলোর সুযোগ ও সমন্বয়ের উদ্যোগ রাষ্ট্রকে নিতে হবে।

চাকুরীর বাজার

সময়ের সাথে সাথে চাকরির বাজার পরিবর্তন হচ্ছে। আগামীর বাজার আরও দ্রুত পরিবর্তন হবে। বর্তমান সমস্যাকে মোকাবিলা করে আগামী সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন নতুন নতুন রিসোর্স ও কনটেন্ট তৈরি করা এই রিসোর্স ও কনটেন্ট তৈরির জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকবল প্রয়োজন হবে। ফলে আগামীতে চাকরির বাজারে নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হবে।     

পেরেন্টিং এডুকেশন

আগামীতে হয়তো বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রমের সময়সীমা কমে যেতে পারে। শিক্ষার্থীরা বাসায়ই অধিকাংশ সময় অতিবাহিত করবে। নতুনভাবে তৈরি হবে ‘হোম স্কুলিং আইডিয়া’। হোম স্কুলিং এর জন্য পেরেন্টিং এডুকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিভাবক একজন ভালো শিক্ষক কীভাবে হয়ে উঠতে পারে তার উপর গুরুত্ব বাড়বে। ফলে একজন অভিভাবকের দায়িত্ব ও বেড়ে যাবে। সন্তান লালন-পালনের পাশাপাশি সন্তানের সুশিক্ষা অর্জনের জন্য বিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্ক আরও বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীর পড়া তৈরিতে সহযোগিতা, বাসায় বসে মূল্যায়ন ও ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য পেরেন্টিং এডুকেশনের প্রয়োজন হবে। তাই পেরেন্টিং এডুকেশনের উপর আমাদের গুরুত্ব খুব তাড়াতাড়ি বাড়াতে হবে।  

বিদ্যালয়ের ভূমিকা

সময়ের সাথে সাথে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভূমিকাও পরিবর্তন হচ্ছে। শুধু জ্ঞান বিতরণই নয়, জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ কমিউনিটিতে রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। জিপিএ ভিত্তিক শিক্ষার্থী তৈরি না করে মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষার্থী তৈরি করতে হবে। বিদ্যালয়গুলোকে সমাজের যেকোনো জরুরি পরিসেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। 

শিক্ষক প্রশিক্ষণ

শিক্ষক হলো শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করার প্রাণ। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষকদের কাজের পরিধি অনেক বেড়েছে। বেড়েছে অনেক চ্যালেঞ্জও। বর্তমান সমস্যা মোকাবিলা করে আগামীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য  দক্ষ, আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষক তৈরি করতে হবে। ডিজিটাল রিসোর্স তৈরি করার জন্য এবং এডুকেশন টুলস ব্যবহার করার জন্য প্রশিক্ষিত শিক্ষকের বিকল্প নেই। তাই শিক্ষক প্রশিক্ষণের সব ব্যবস্থা নিতে হবে। গতানুগতিক চিন্তা থেকে বের করে বিশ্বায়নের সব সুযোগ যেন আমাদের শিক্ষকেরা গ্রহণ করতে পারে, তার জন্য নানা কর্মশালার আয়োজন করতে হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষক একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তথা সমাজের সম্পদ।

যেকোনো মহামারি রাষ্ট্রকে যেমন সমস্যায় ফেলে দেয়, তেমন সমস্যা উত্তোরণের জন্য অনেক সুযোগও তৈরি করে দেয়। শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনঃসংস্করণ করার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যাগুলো সমাধান করে সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা খুবই জরুরি। সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই এই সময় কেটে যাবে এবং শিক্ষা বৈষম্য অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। 

লেখক:  এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট অফিসার, আলোকিত হৃদয় ফাউন্ডেশন।



ঢাকা/হাকিম মাহি