Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

যবিপ্রবির সাথে অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গারের সমঝোতা

সজীবুর রহমান, যবিপ্রবি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২৩, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
যবিপ্রবির সাথে অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গারের সমঝোতা

শিক্ষা গবেষণায় সহযোগিতা এবং পেশাগত মান উন্নয়নের জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাথে সমঝোতা করেছে অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার।

যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং এসিএফের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব বিকাশ গোয়াল নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারক সই করেন। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পেছনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক ও উক্ত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শিরিন নিগার।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে যবিপ্রবির পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এসসিএফের সাথে বিভিন্ন গবেষণা ও ইন্টার্নশিপ করতে পারবে। সমঝোতা স্মারকে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে গবেষণা, প্রকাশনা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং চাকরির ক্ষেত্রে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

ফলে যবিপ্রবির পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ-সুবিধা বাড়ল এবং হাতে-কলমে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হলো, যা আগামী মার্চ মাস থেকে কার্যকর হবে।

একই অনুষ্ঠানে অভিজ্ঞতা শেয়ারিং নিয়ে একটি সেমিনার আয়োজন করে পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এর সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শিরিন নিগার। এছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন এসিএফ বাংলাদেশের প্রধান যোগী আবু সিজো, ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর বিকাশ গোয়েল, খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা তপন কুমার চক্রবর্তী ও তৌফিক আহমেদ। সেমিনারে একশন কোন্ট্রি লা ফেইমের (এসিএফ) সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী সম্রাট কুমার দত্ত, আবু তাহের ও তপু মল্লিক।

এ সময় ছিলেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক, সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ, রাজিব কান্তি রায়, ফাতেমা তুজ জোহরা, প্রভাষক শুভাশীষ দাশ শুভ, ইয়াদ আহমেদ ও উক্ত বিভাগের সকল বর্ষের শিক্ষার্থীরা।


যবিপ্রবি/সজীবুর/মাহি

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে