RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ১১ ১৪২৭ ||  ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা তোলার বাধা কাটলো

বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৭, ২৫ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৮:০১, ২৫ নভেম্বর ২০২০
জবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা তোলার বাধা কাটলো

করোনার প্রকোপে দীর্ঘ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তির টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

যেসব শিক্ষার্থী এখনো টাকা সংগ্রহ করতে পারেননি, তাদের চিন্তিত না হয়ে রেজিস্ট্রার দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান। 

তিনি বলেন, ‘ঠিক কী কারণে শিক্ষার্থীরা এখনো মেধাবৃত্তির টাকা পায়নি সেটা প্রথমে জানতে হবে। তারা যদি রেজিস্ট্রার দপ্তরে এসে তাদের সমস্যার কথা জানায়, তাহলে সেটা সমাধান করে দেওয়া হবে।’

তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তাদেরকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী নূর উদ্দীন বলেন, ‘মেধাবৃত্তির বাৎসরিক টাকার জন্য ফেব্রুয়ারিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরে দরখাস্ত দিয়েছিলাম। তখন বলেছিল, এপ্রিলে যেতে। কিন্তু মহামারির কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে আর খোঁজ নেওয়ারও সুযোগ পাইনি।’

জানা যায় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১ হাজার ৫১২ জন মেধা ও অবৈতনিক বৃত্তির আবেদন করেছিল। যার মধ্যে বাছাই করে ১ হাজার ১১৬ জনকে বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ জনকে মেধাবৃত্তি ও ৬৯ জনকে অবৈতনিক বৃত্তি প্রদান করা হয়। যার শর্ত মোতাবেক মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে অধ্যয়নসহ বাৎসরিক ৪ হাজার ৮০০ টাকা হারে এক শিক্ষাবর্ষে বৃত্তি পাবে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান বলেন, ‘বিভাগ থেকে মেধাবৃত্তির টাকা পরে দেওয়া হবে শুনে আর অর্থদপ্তরে যোগাযোগ করিনি। করোনার জন্য দীর্ঘ ৮ মাস ধরে বাড়িতে থাকায় আর খোঁজ নেওয়াও সম্ভব হয়নি। এখন আদৌ কোনো সুযোগ আছে কি না তা জানি না।’

এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক কাজী নাসির উদ্দীন বলেন, ‘আমরা চাই মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত সবাই যেন বাৎসরিক টাকা বুঝে পায়। রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে মেধাবৃত্তির যেসব চেক অনুমোদনের জন্য পাঠানো হচ্ছে, সেগুলোতে স্বাক্ষর দিয়ে অনুমোদন দিচ্ছি। যদি কেউ এখনো টাকা না পেয়ে থাকে, তাহলে সে অর্থ দপ্তরে এসে যোগাযোগ করলে তার মেধাবৃত্তির বাৎসরিক টাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।’

জবি/অনিক/মাহি

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়