ঢাকা     সোমবার   ০৪ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২০ ১৪২৯ ||  ০৪ জিলহজ ১৪৪৩

স্মার্টার ইউরোপ অ্যাওয়ার্ড পেলো ইউআইইউ  

ক্যাম্পাস ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৩৬, ১২ মে ২০২২   আপডেট: ০৯:৩৮, ১২ মে ২০২২
স্মার্টার ইউরোপ অ্যাওয়ার্ড পেলো ইউআইইউ  

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চের উদ্ভাবিত ‘স্মার্ট সোলার ইরিগেশন সিস্টেম’ গবেষণা প্রকল্পটি ‘স্মার্টার ইউরোপ অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ অর্জন করেছে। 

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এতথ্য জানা যায়।  এর আগে ১০ মে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত ইন্টারসোলার ইউরোপ সম্মেলনে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন গবেষণা প্রকল্পের দলনেতা ও প্রধান গবেষক এবং ইউআইইউ’র সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চের পরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী।  

স্মার্ট সোলার ইরিগেশন সিস্টেম হলো সৌর শক্তির ওপর ভিত্তি করে একটি স্মার্ট, স্বয়ংক্রিয় পানি সেচ ব্যবস্থা। এ সিস্টেমে রয়েছে স্মার্ট সেন্সর, যেমন- মাটির আর্দ্রতা, পানির স্তর, পিএইচ সেন্সর ইত্যাদি। দিকনির্দেশক যোগাযোগ ব্যবস্থা, আইওটি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যবস্থা সম্বলিত উদ্ভাবিত সিস্টেমটিতে মোবাইল/ওয়েব-ভিত্তিক প্রিপেমেন্ট ব্যবস্থা যুক্ত রয়েছে। সিস্টেমটি রিমোট মনিটরিং, কন্ট্রোল এবং প্রি-পেমেন্ট ওয়াটার বিলিং সিস্টেম (পে-অ্যাস-ইউ-গো প্ল্যাটফর্ম) প্রদান করে। 

কৃষি জমির বিভিন্ন প্যারামিটার সেন্সিং করার জন্য সিস্টেমে বেশ কয়েকটি সেন্সর রয়েছে। যার মাধ্যমে সিস্টেমটি সেচের পানি নিয়ন্ত্রণ করে। সিস্টেমটি ফসল এবং মাটির ধরনের ওপর নির্ভর করে পানির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি পানির অতিরিক্ত ব্যবহার কমায়, ডিজেল কিংবা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, এটি সেচের জন্য মোট কার্বন নিঃসরণ কমায়। 

উদ্ভাবিত সিস্টেমটি মানব সম্পদও সংরক্ষণ করে। কারণ এ পদ্ধতিতে দূর পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়। পুরস্কার নির্বাচনের বিচারকরা উল্লেখ করেছেন যে, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং মানবসম্পদ সংরক্ষণের জন্য উদ্ভাবিত প্রকল্পটির বিশাল পরিবেশগত এবং সামাজিক প্রভাব রয়েছে। সিস্টেমটি ব্যবহার করে মানুষের সেচ খরচও হ্রাস পাবে। 

শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী এর আগেও তার গবেষণা কাজ এবং উদ্ভাবনের জন্য বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৬ সালে জাতিসংঘের মোমেন্টাম ফর চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড (জাতিসংঘের ২২ তম জলবায়ু সম্মেলন ২০১৬ মারাক্কেশ, মরক্কো), ইন্টারসোলার অ্যাওয়ার্ড ২০১৬ ( মিউনিখ, জার্মানি), এডুকেশন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ (মুম্বাই, ভারত), এশিয়ান ফটোভোলটাইক ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ (সাংহাই, চায়না) পেয়েছেন। 

এ ছাড়াও, উদ্ভাবন ও গবেষণা কাজের জন্য তিনি ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২০ সালে বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

সাদাত/এইচএম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়