ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ, আহত ১০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-২৬ ৩:১১:৫৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-২৬ ৭:১৩:২৪ পিএম
ছবি : শাহীন ভূঁইয়া

রাজধানীর গোপীবাগে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোপীবাগ রামকৃষ্ণ মিশনের সামনের রাস্তা সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ ও আশপাশের এলাকার দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় ইট-পাটকেল ও ছেঁড়া পোস্টারে ছেয়ে গেছে। শাজাহানপুর, মতিঝিল ও ওয়ারী থানার অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। এসময় নেতাকর্মীদের একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে দেখা যায়।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী গণমাধ্যমকে জানান, হামলা পরিকল্পিত। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রোকনউদ্দিন আহমেদের লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এ হামলায় মামলা করে জনগণের মনোবল দুর্বল করা যাবে না। ১ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে তারা এর জবাব দেবেন।

তবে তার এ অভিযোগ অস্বীকার করে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রোকনউদ্দিন আহমেদ জানান, কলেজের সামনে তার নির্বাচনী অফিসে বসে নেতাকর্মীরা নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। এ সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিছিল থেকে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। মেয়র প্রার্থী নিজেই সঙ্গে থাকা বন্দুক দিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। এতে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া ইটপাটকেলের আঘাতে আরো কয়েকজন আহত হলে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এদিকে সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুবদলের নাহিদ ইকবাল ফয়সাল, বিল্লাল হোসেন, আরমান, মিজানুর রহমানসহ দশজন হাত-পা-পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

ওয়ারী জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নূরে আলম গণমাধ্যমকে জানান, রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে গোপীবাগ সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় গোপীবাগ দিয়ে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের এক মিছিল যাচ্ছিল। মিছিল থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে সংঘর্ষ বেধে যায়। ২০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের পরই প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।

তবে এখানে গুলির কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা তা এই মুহূর্তে বলতে পারছিনা। তদন্তের পরই বলা যাবে।

 

ঢাকা/মাকসুদ/বুলাকী

     
 
রাইজিংবিডি স্পেশাল ভিডিও