ঢাকা, শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪২৬, ০৩ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৮.২৩ শতাংশ

কেএমএ হাসনাত : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-২৫ ১০:০৪:২৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-২৬ ১০:১২:২৯ এএম

আগামী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রাথমিকভাবে প্রাক্কলন করা হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি চলতি অর্থবছরে মতো প্রায় একই রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির হার ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ শতাংশ।

সোমবার বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক, মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হার সংক্রান্ত কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের বৈঠকে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবীর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিঅঅর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইঞা, অর্থ সচিব আবদুর রউফ তালুকদারসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাজেট ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ কমিটির বৈঠকও হয়েছে।

বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাব দেননি অর্থমন্ত্রী।

তবে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমলেও আগামীতে বাড়বে। কারণ, কিছুদিন আগে তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ বাড়তি প্রণোদনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর একটি প্রভাব রপ্তানি আয়ে দেখতে পাওয়া যাবে।

অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন ও আগামী অর্থবছরের বাজেটের প্রাক্কলিত একটি হিসাব তুলে ধরেন। আগামী অর্থবছরের ভর্তুকির একটি প্রাক্কলিত হিসাবও তুলে ধরা হয় বলে জানা যায়।

বৈঠকে কৃষি সচিব আগামী অর্থবছরে সারে ভর্তুকি বাড়ানোর সুপারিশ করেন। তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে ডিএপি সারে ভর্তুকি বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বৈঠকে এ বিষয়ে তাকে লিখিত আকারে প্রস্তাব দিতে বলা হয়।

তবে সামষ্টিক অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে রাজস্ব আদায় বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৬২ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম ১৭ শতাংশের মতো। তিন মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪৭ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা কম। তবে গতকালের বৈঠকে এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬৭ হাজার কোটি টাকা।

একইভাবে, চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের চতুর্থ মাস অক্টোবর শেষে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি আয় কমেছে ১১ দশমিক ২১ শতাংশ। অর্জিত আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ কম হয়েছে।


ঢাকা/হাসনাত/রফিক