Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

টিসিবির মনিটরিং সেল গঠন

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৩৯, ২৫ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
টিসিবির মনিটরিং সেল গঠন

করোনাভাইরাস নিয়ে দেশে বিদ্যমান অবস্থায় সাধারণ ক্রেতার জন্য ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে মনিটরিং সেল গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

একই সঙ্গে নতুন করে আরো ১৬টি ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। টিসিবির কাওরান বাজারে প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত এই সেল সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করবে।

বুধবার(২৫ মার্চ) টিসিবি সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশব্যাপী সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবি। এরই মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২৬ মার্চ খেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত  সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

এছাড়াও সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সারা দেশে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ যেন সমস্যায় না পড়ে সেজন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালিয়ে যাবে টিসিবি।

এদিকে টিসিবির কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আরও ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার টিসিবির পৃথক দুটি অফিস আদেশ জারি হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস আদালত বন্ধ থাকলেও দৈনন্দিন পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার টিসিবির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে পণ্য বিক্রির কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে তদারকি করার জন্য প্রধান কার্যালয়ে একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। টিসির প্রধান কার্যালয়ের বেশকিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিত্যদিনের কাজের পাশাপশি মনিটরিং  সেলের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা উপসিচব মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।

গত ১৭ মার্চ থেকে ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৬টি, অন্যান্য ৬টি বিভাগীয় শহরে প্রতিটিতে ১০টি করে ৬০টি এবং অবশিষ্ট ৫৬টি জেলা শহরে প্রতিটিতে চারটি করে ২২৪টি সর্বমোট ৩৫০ জন ডিলারের নিজস্ব ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ১৭ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত (শুক্র ও শনিবার ছাড়া) টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিজন ভোক্তা ৫০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, প্রতি লিটার ৮০ টাকা দরে সার্বোচ্চ ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ৫০ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ২ কেজি মশুর ডাল এবং ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। প্রতিদিন সকাল ১০ থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলছে।


হাসনাত/সাইফ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে