Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বিজিএমইএ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৭:৪৬, ২৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বিজিএমইএ

কঠিন সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও ‍কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমইএ সভাপতি রুবান হক তাকে ধন্যবাদ জানান।

বিজিএমইএ’র ভেরিফাইড পেইজে রুবানা হক লিখেছেন- ‘ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমাদের শ্রমিক ও শিল্পের প্রতি আপনার অন্তহীন সহানুভূতির জন্য। কর্মীদের চিন্তায় আমরা নিদ্রাহীন রাত কাটিয়েছি। যখন রপ্তানি অর্ডার বাতিল ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি, এমন কঠিন সময়ে আমাদের এই সমর্থন দেওয়ার জন্য আপনার প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা। ধন্যবাদ, আরএমজির ইতিহাসে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের সময়ে আমাদের অনুরোধ শোনার জন্য। অভাবী ও সুবিধা বঞ্চিতসহ সকলের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’

প্রধানমন্ত্রী গতকাল তার ভাষণে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়েছেন। আমাদের তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের শিল্প উৎপাদন এবং রপ্তানি বাণিজ্যে আঘাত আসতে পারে। এই আঘাত মোকাবেলায় আমরা কিছু আপৎকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এ তহবিলের অর্থ দ্বারা কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে।’

এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বেশ কিছু দাবি নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে চিঠি দেয় বিজিএমইএ। যেখানে পোশাক কারখানার ছয় মাসের মজুরি ও বোনাস, গ্যাস-বিদ্যুতের বিলসহ অন্যান্য সুদমুক্ত ঋণ মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ স্থানীয় মুদ্রায় প্রদান করা ও ঋণের অর্থ প্রথম ছয় মাসে প্রদান না করে পরবর্তী ৩০ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধ করাসহ বেশ কিছু দাবি জানানো হয়েছিল।

 

ঢাকা/এম এ রহমান/ইভা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে