ঢাকা     শুক্রবার   ১৪ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭ ||  ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ওয়ালটনের ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী এসি বাজারে

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৪১, ১১ জুলাই ২০২০  
ওয়ালটনের ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী এসি বাজারে

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বাজারে ছেড়েছে দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন। ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তির ওই এসিতে সমন্বয় করা হয়েছে আয়োনাইজার ও অ‌্যান্টিভাইরাল ফিল্টারের। তিনস্তর বিশিষ্ট এই অ‌্যান্টিভাইরাল ফিল্টারে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম উপাদান। ফলে এই প্রযুক্তির এসি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অণুজীব প্রতিরোধের পাশাপাশি দুর্গন্ধ ও ধূলিকণা দূর করে নির্মল ঠাণ্ডা বাতাস সরবরাহ করে।

উল্লেখ্য, দেশে নিজস্ব কারখানায় উচ্চমান বজায় রেখে এসি তৈরি করছে ওয়ালটন। এসির মান উন্নয়নে ওয়ালটনের রয়েছে দক্ষ ও মেধাবী আরএন্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। যারা প্রতিনিয়ত এসির ডিজাইন ও মান নিয়ে গবেষণা করছে। ফলে ওয়ালটন এসিতে যুক্ত হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার। এরই ধারাবাহিকতায় ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তির এসি বাজারে ছাড়লো ওয়ালটন।

ওয়ালটন এসির চিফ টেকনিক্যাল অফিসার (সিটিও) ওয়াল্টার কিম বলেন, ‘করোনাভাইরাসের দুর্যোগের সময় এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তির এসি বাজারে ছাড়া হয়েছে। এক, দেড় ও দুই টনের স্প্লিট ইনভার্টার ও স্মার্ট ইনভার্টার এসিতে এ প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। ’

ওয়ালটন এসির আরএন্ডডি বিভাগের প্রধান সন্দীপ বিশ্বাস জানান, ডুয়েল ডিফেন্ডার প্রযুক্তির এসিতে ব্যবহৃত হয়েছে জাপান ও সিঙ্গাপুরের স্বীকৃত ল্যাবে পরীক্ষিত তিন স্তরের অ্যান্টিভাইরাল ফিল্টার। যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অনুজীব প্রতিরোধ করে। এর প্রথম স্তরে ননওভেন ফ্যাব্রিকের সঙ্গে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব প্রতিরোধী এজেন্ট যুক্ত থাকে। যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াসহ বিভিন্ন অণুজীব আটকে রাখে ও বিক্রিয়ার মাধ্যমে ধ্বংস করে।

দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে দুর্গন্ধ প্রতিরোধক। এর নন-ওভেন ফ্যাব্রিকের সঙ্গে যেসব প্রতিরোধী এজেন্ট যুক্ত থাকে, তা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন অণুজীব ও কণিকা শোষণ করে বাতাসকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখে।
আর তৃতীয় স্তরে রয়েছে অ‌্যান্টি-অক্সিডেন্ট লেয়ার। এই স্তরে ব্যবহৃত অ‌্যান্টি অক্সিডেন্ট এজেন্ট বাতাসে থাকা ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ও অন্যান্য চার্জিত কণা শোষণ করে স্বাস্থ্যকর নির্মল বাতাস সরবরাহ করে।

পাশাপাশি এই প্রযুক্তির এসিতে রয়েছে ডাস্ট ফিল্টার ও আয়োনাইজার। ডাস্ট ফিল্টারে থাকা অসংখ্য কার্যকর ছিদ্র ঘরের বাতাস থেকে ০.৩ মাইক্রোন পর্যন্ত সূক্ষ্ম ধূলিকণা শতভাগ দূর করে। এর আয়োনাইজার প্রযুক্তি থেকে উৎপন্ন হয় নেগেটিভ আয়ন। যা বায়ুবাহিত দূষণকারী পদার্থকে আটকে রেখে পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর বাতাস নিশ্চিত করে।

জানা গেছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য ওয়ালটনের রয়েছে আইওটি বেজড ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী স্মার্ট ও ইনভার্টার এসি। কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর-৪১০এ ও আর-৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠাণ্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। ইভাপোরেটর ও কন্ডেন্সারে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি। যার ফলে ওয়ালটন এসি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। ওয়ালটন ইনভার্টার এসি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, ১, ১.৫ এবং ২ টনের স্প্লিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আর বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ ও চিলার এসি।

এদিকে, একটি ওয়ালটন এসি কিনে আরেকটি সম্পূর্ণ ফ্রি পেতে পারেন ক্রেতারা। রয়েছে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নিশ্চিত মূল্যছাড়। পাশাপাশি গ্রাহকরা পাচ্ছেন ফ্রি ইন্সটলেশন। প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৭-এ এসব সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি, যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসি বদলে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্টে কেনা যাচ্ছে ওয়ালটনের নতুন এসি। মাত্র ৪ হাজার ৯০০ টাকা ডাউনপেমেন্টে এসি দিচ্ছে ওয়ালটন। রয়েছে ৩৬ মাসের সহজ কিস্তিসহ জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই সুবিধা।

ঘরে বসেই ওয়ালটনের নিজস্ব অনলাইন শপ ‘ইপ্লাজা ডট ওয়ালটনবিডি ডটকম’ https://eplaza.waltonbd.com থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের এসি কিনতে পারছেন। অনলাইন থেকে এসি কেনায় ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সুবিধা উপভোগ করা যাবে। যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওয়ালটনের দক্ষ টেকনিশিয়ানগণ বিনামূল্যে গ্রাহকদের এসি ইন্সটলেশন করে দিচ্ছেন।

দেশে একমাত্র ওয়ালটনই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে। পাশাপাশি ওয়ালটনের ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে রয়েছে ১০ বছরের গ্যারান্টি। আর নন-ইনভার্টার কম্প্রেসরের গ্যারান্টি ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর করেছে ওয়ালটন।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিসিং দিচ্ছেন।

 

ঢাকা/ইভা

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়