ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২২ ১৪২৭ ||  ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের সার্ভার থেকে ডিবি’র তথ্য সংগ্রহ

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:২৩, ১২ জুলাই ২০২০  

শেয়ার ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের লক্ষ্যে ব্যাকঅফিস সার্ভারের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি’র এ কাজে সহযোগিতা করছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) কর্মকর্তারা।

রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর পুরানা পল্টনে বন্ধ থাকা ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের প্রধান কার্যালয় খুলে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

এদিন রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ডিবি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) জাভেদ ইকালের নেতৃত্বে ও পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসানের তত্ত্ববধানে সার্ভার উদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ সময় গ্রেপ্তার হওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ কর্মচারী মো. মোবারক করিম উপস্থিতি ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি’র পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসান রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ডিএসই ও সিডিবিএলের সহযোগিতায় ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের সার্ভার থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। আজ কিছু কাজ শেষ করেছি। আরো কিছু কাজ রয়েছে, যা পরে করা হবে।’

এদিকে, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের বিও হিসাবধারী বিনিয়োগকারী নাজির আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘রোববার মাগরিবের নামাজের পর খবর আসে স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএলসহ ডিবি’র কর্মকর্তারা ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের প্রধান কার্যালয় থেকে সার্ভারের তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছেন। পরে আমি দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে তাদেরকে সার্ভার উদ্ধারের কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা করি। এ সময় ডিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই সকল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে আমরা সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছি।’

এর আগে, সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে লক্ষ্মীপুর- নোয়াখালী সীমান্ত এলাকা থেকে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ও অর্থ আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হওয়া ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শহীদ উল্লাহ, তার স্ত্রী নিপা সুলতানাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন— মো. খোরশেদ ও মো. জুয়েল তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবির রমনা বিভাগ।

এদিকে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শহিদুল্লাহর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওইদিন তার স্ত্রী নিপা সুলতানাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক দিনের রিমান্ড শেষে শহিদুল্লাহকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পল্টন থানা পুলিশ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, শেয়ার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় এ পর্যন্ত ১৭টি মামলা দায়ের করেছেন বিনিয়োগকারীরা।

 

ঢাকা/এনটি/বুলাকী

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়