ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১৪ ১৪২৭ ||  ১১ সফর ১৪৪২

রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ জানালেন অর্থমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:১৬, ৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ জানালেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (ফাইল ফটো)

রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সোমবার (৩ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

লন্ডনে চিকিৎসা শেষে সোমবার দেশে ফিরে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী। প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের ওপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া অব্যাহত আছে। এর ফলে গত বছর ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। চলতি অর্থবছরে ৩-৫ বিলিয়ন ডলার বাড়তি রেমিট‌্যান্স অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সামনের দিনে রেমিট্যান্স বৈধ পথে আনতে যত কৌশল অবলম্বন করতে হয়, সেটা আমরা করব। প্রবাসীদের রয়েছে দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আর মমত্ববোধ। দেশে তাদের টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে যত বাধা আছে, সেগুলো দূর করা হবে।’

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘করোনার মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশে থেকেও নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। কঠিন সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করেছে। এক্ষেত্রে দেশ ও পরিবারের প্রতি তাদের ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অর্থনীতির চাকাকে বেগবান রাখতে বড় অবদান রাখছে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স।’

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যেও শুধু জুলাই মাসে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে কখনো এক মাসে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। গত জুন মাসের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১.৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে নগদ প্রণোদনাসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ৩০ জুন, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬.০১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে সেটি ছিল সর্বোচ্চ। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সেটি পৌছেছে ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

ঢাকা/হাসনাত/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়