Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

বিএসইসি’র কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অপচেষ্টা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৫০, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
বিএসইসি’র কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অপচেষ্টা

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে একাধিক বিনিয়োগকারীকে আইপিও শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে একটি চক্র। এর বিনিময়ে অগ্রিম অর্থ দাবি করে বিকাশ নাম্বারও দেওয়া হয়েছে। তবে একজন বিনিয়োগকারী বিষয়টি বুঝতে পেরে চক্রটির ফোন নম্বর ও বিকাশ নম্বর ফেসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এসব ফেসবুক গ্রুপে বিনিয়োগকারীদের সাবধান হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএসইসি‘র কর্মকর্তা পরিচয়ে বিনিয়োগকারীদের মোবাইলে ফোনে পাঠানো একটি ম্যাসেজ ফেসবুক গ্রুপে দিয়ে সাবধান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান জনী নামের একজন। তিনি লিখেছেন, ‘সবাই সাবধান!!! নতুন ধান্ধাবাজ। রেজাউল করিম, নির্বাহী পরিচালক (বুয়া), BSEC। মোবাইল: ০১৮৩৪-২৩১০৩৭, বিকাশ: ০১৭৬৩-৫১৬৩৬১। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর বেশি ক্ষতির ধান্ধা।

আজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে মোবাইল ফোনে কল করে রেজাউল করিম, নির্বাহী পরিচালক (ভুয়া), বিএসইসি পরিচয়ে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী (আমি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী না) হিসেবে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার আইপিও সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়। বিনিময়ে আবেদন করার জন্য সিডিবিএল চার্জ বাবদ ৫ হাজার ১০০ টাকা BSEC-এর বিকাশ নম্বরে ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়। বিষয়টি কারও সাথে শেয়ার না করার জন্য আমাকে অনুরোধ করা হয়। কারণ, এতে বাজারে রিউমার ছড়াবে এবং বাজার নষ্ট হবে।’

এ বিষয়ে বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার কোনো ফেসবুক বা বিকাশ অ‌্যাকাউন্ট নেই। কারা এ ধরনের নোংরামি করছে, তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।’

বিনিয়োগকারীদের এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএসইসির কোনো কর্মকর্তা বা বিএসইসি কখনোই এভাবে ফোন করবে না। কাজেই এ ধরনের কোনো চক্র বা গোষ্ঠী কোনো প্রস্তাব দিলে সাবধান থাকুন। পারলে তাদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করুন।’

ফেসবুকে সতর্ক বার্তা পোস্ট করে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার জন্য মোস্তাফিজুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র।

ঢাকা/এনএফ/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে