Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

ই-জেনারেশনকে ৪ বছর বোনাস লভ্যাংশ না দিতে বিএসইসির শর্ত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০১:০৯, ৪ মার্চ ২০২১  
ই-জেনারেশনকে ৪ বছর বোনাস লভ্যাংশ না দিতে বিএসইসির শর্ত

দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত হওয়া ই-জেনারেশন আগামী চার বছর কোনো বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারবে না। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে এমন শর্ত আরোপ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

তথ্যমতে, বিনিয়োগকারীরা যাতে নগদ লভ্যাংশ পেতে পারে সে বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিএসইসি। সেদিক বিবেচনা করে কোম্পানিটিকে এ শর্ত দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের বিডিং অনুমোদনের ক্ষেত্রে ৫ বছর বোনাস লভ্যাংশ না দেওয়ার শর্ত আরোপ করে কমিশন।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ই-জেনারেশনকে বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার বিষয়ে শর্ত প্রদান করা হয়েছে।’

তবে ই-জেনারেশনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মাজহারুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বোনাস লভ্যাংশের বিষয়ে বিএসইসির দেওয়া শর্ত কনসেন্ট লেটার না দেখে বলা যাচ্ছে না।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২১ অক্টোবর বিএসইসির ৭৪৫তম নিয়মিত কমিশন সভায় ই-জেনারেশনের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। দেশের উভয় শেয়ারবাজারে চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয়। বুধবার (৩ মার্চ) কোম্পানিটির সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৩৫.৯০ টাকায়। ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ মূলধনের কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৫০ লাখ। সর্বশেষ হিসাব বছরের তথ্য অনুযায়ী- কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৩৭.৩৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৬.৪২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৬.১৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২০) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.০৮ টাকা।

এদিকে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২.৯২ টাকা।

আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সংগ্রহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়, ঋণ পরিশোধ, ডিজিটাল হেলথকেয়ার প্লাটফর্ম উন্নয়ন এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে।

এনটি/আমিনুল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে