Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১ ||  বৈশাখ ১ ১৪২৮ ||  ০১ রমজান ১৪৪২

করোনাতেও বেড়েছে ই-কমার্স উদ্যোক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৫৯, ৪ মার্চ ২০২১  
করোনাতেও বেড়েছে ই-কমার্স উদ্যোক্তা

ই-কমার্স খাত লোকসানে থাকলেও করোনা মহামারিতে অন্তত ৩০০ জন উদ্যোক্তা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ই-কমার্স অ‌্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। এ খাতের নতুন ও পুরাতন উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে ১৬টি প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন ই-ক‌্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার। এ সময় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

শমী কায়সার বলেন, ‘আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেছি। প্রয়োজনে আলোচনা, ব্যাখ্যা, সম্পূরক প্রস্তাব ও চূড়ান্ত প্রস্তাব পেশ করা হবে।’

তিনি জানান, ভ্যাট ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বিষয়ে ই-ক্যাব সদস্যদের মধ্যে ভীতি আছে। তাদের সচেতন করার জন্য এনবিআরের সহযোগিতা প্রয়োজন। এজন্য ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের নিয়ে ওয়েবিনার আয়োজন করা যেতে পারে। এছাড়া, ভ্যাট-ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানিমুক্ত সেবা এখন সময়ের দাবি।

ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘জটিলতা এড়িয়ে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সব উপায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স দেওয়ার জন্য এনবিআরের সহযোগিতা কামনা করছি। দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হলো রাজস্ব। রাজস্ব আদায়ে এনবিআরকে সব সময় সহযোগিতা করবে ই-ক্যাব।’

সভায় এনবিআরের আয়কর নীতির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন বিভাগের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম, ভ্যাট নীতির সদস্য মো. মাসুদ সাদিকসহ বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বর্তমানে যত দ্রুত ই-কমার্স বাড়ছে, রাজস্ব বোর্ড সে হারে তাদের শনাক্ত করতে পারছে না। এজন্য ই-ক্যাবের সহযোগিতা প্রয়োজন আছে। ই-ক‌্যাবের পক্ষ থেকে যেসব প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে সুযোগ-সুবিধা দিতে এনবিআর প্রস্তুত। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজনকে সুবিধা দিলে হবে না, সবাইকে এ সুবিধার আওতায় আনতে হবে। এতে একদিকে রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে স্বচ্ছতাভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘ই-কমার্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা। বিচ্ছিন্নভাবে যারা ব্যবসা করছেন, তাদেরকে এক প্ল‌্যাটফর্মে আনা হবে।’

ঢাকা/শিশির/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়