Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     রোববার   ১৬ মে ২০২১ ||  জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৮ ||  ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

স্বর্ণালঙ্কার ব‌্যবসায়ীরা এক কদম এগোলে দুই কদম এগোবে এনবিআর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১৭, ২৮ মার্চ ২০২১   আপডেট: ২১:৪৪, ২৮ মার্চ ২০২১

স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ীরা এক কদম এগোলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুই কদম এগোবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

রোববার (২৮ মার্চ) এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এনবিআর চেয়ারম‌্যানের অভিমত, স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তারা তার সঠিক ব্যবহার করতে পারছেন না। এজন্য ২০২১-২২ অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন কোনো সুবিধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সভায় এনবিআরের আয়কর নীতির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, ভ্যাট নীতির সদস্য মো. মাসুদ সাদিকসহ বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাজেট আলোচনায় দেশে তৈরি অলঙ্কার রপ্তানিতে মূল‌্য সংযোজনের ওপর ৫০ শতাংশ ভতুর্কি এবং অমসৃণ হীরা আমদানির ওপরে শূন‌্য শতাংশ শুল্ক ধার্য করার প্রস্তাব করেন বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ‌্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘গতবার যে অভ্যন্তরীণ মার্কেটের (বাজার) জন্য এত সুবিধা দেওয়া হলো, কোনো রেজাল্ট তো নেই। আন্তর্জাতিক বাজার ধরার জন্য আপনাদের যদি ইচ্ছা থাকে, তাহলে যে পরিমাণ সহায়তা দেওয়া আছে তা দিয়েই কিছু করে দেখান। তার পর আমরা আরও বেশি সুবিধা দেবো। আপনাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে এত সুবিধা দিলাম, কয়টা আমদানি হয়েছে? স্থানীয় বাজারে লেনদেন কি হচ্ছে? সেখানে সহায়তা দিয়েও স্বচ্ছতা আসেনি। আপনারা এক কদম এগোলে আমরা দুই কদম এগোবো।’

বাংলাদেশ জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ‌্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশের গহনার ডিজাইনের সঙ্গে ভারতের গহনার ডিজাইনের সাদৃশ্য আছে। কিন্তু গহনার কারুকার্য ভারতের তুলনায় অনেক সুন্দর ও ওজনে হালকা হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় স্বর্ণালঙ্কার রপ্তানিকারকরা অনেক বছর ধরে বিশ্ববাজারে এগিয়ে আছে। আমাদের অলঙ্কার বিশ্ব বাজারে পরিচিত করতে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে তিন বছরের জন্য মূল্য সংযোজনের ওপর ৫০ শতাংশ ভতুর্কি দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে দেশের ডায়মন্ড কাটিং ও পলিশিং ইন্ডাস্ট্রি আছে। আরও বেশ কয়েকটি ডায়মন্ড কাটিং ও পলিশিং কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে, যা বাংলাদেশকে রপ্তানি বাণিজ্যে সুউচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করবে। এ অবস্থায় অমসৃণ হীরা আমদানির ওপরে শূন‌্য শতাংশ শুল্ক ধার্য করলে রপ্তানি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে কর্মসংস্থান বাড়বে।’

ঢাকা/শিশির/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়