ঢাকা     সোমবার   ০৩ অক্টোবর ২০২২ ||  আশ্বিন ১৮ ১৪২৯ ||  ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

পুঁজিবাজারে নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৩৫, ৮ আগস্ট ২০২২  
পুঁজিবাজারে নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ

পুঁজিবাজারে অনেক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছেন। তাদের উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে পুঁজিবাজারে চাহিদা ও তারল্য বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউকিরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার (৮ আগস্ট) বিএসইসির সঙ্গে পুঁজিবাজারে ব্রোকারদের শীর্ষ সংগঠন ‘ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রতিনিধিদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম ও বিএসইসির ‘মার্কেট সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স’ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কমকর্তা, ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কমকর্তা এবং ডিবিএর সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিওসহ ডিএসইর শীর্ষ স্টক ব্রোকার/স্টক ডিলারদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও বাজার মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হয়। পুঁজিবাজারে চাহিদা বৃদ্ধি, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, ডিএসইসহ ডিবিএর পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতাসহ চারটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়। সেগুলো হলো—নিজ নিজ সামর্থ মোতাবেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হিসেবে স্টক ডিলাররা আগামী কয়েকদিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিগত সময়ে শেয়ার বিক্রি করে অনেক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছে। উক্ত বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে পুনরায় বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া, যেসব ইন-অ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট আছে, তাদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগসহ উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রত্যেক স্টক ব্রোকার তাদের বিদ্যমান বিনিয়োগকারী ছাড়া নতুন সম্ভাব্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। যা বাজারে চাহিদা ও তারল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের যেসব জেলায় স্টক ব্রোকারের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ নেই, সেসব জেলায় বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং স্টক ব্রোকারদের ডিজিটাল বুথ অথবা শাখা অফিস খোলার মাধ্যমে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

সভায় বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ সবাইকে ধন্যবাদ জানান। কমিশনের পক্ষ থেকে ডিবিএর সুপারিশগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন। সবশেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এনটি/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়