Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

‘প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানা বাড়লে মুনাফা গোপনের প্রবণতা বাড়ে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১৪, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
‘প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানা বাড়লে মুনাফা গোপনের প্রবণতা বাড়ে’

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে বিদেশি ও স্পন্সর-ডিরেক্টদের মালিকানার অনুপাত বাড়লে, প্রকৃত মুনাফা গোপনের প্রবণতা হ্রাস পায়। অপরদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানা বাড়লে প্রকৃত মুনাফা গোপনের প্রবণতা বাড়ে। 

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিআইসিএমের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত ‘বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার ২’- এ প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানানো হয়।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইসিএমের অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র দেবনাথ। প্রবন্ধটির শিরোনাম ‘ওর্নারশিপ স্ট্রাকচার অ্যান্ড রিয়েল আর্নিংস ম্যানেজমেন্ট: এন ইসপিরিক্যাল স্টাডি অন ইমার্জিং ইকোনমি।’

এ সেমিনারে ইনস্টিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। এছাড়া বিআইসিএমের ডিরেক্টর ওয়াজিদ হাসান শাহ সেমিনারে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন।

সেমিনারে উত্থাপিত গবেষণায় বলা হয়- বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের কোম্পানিসমূহে বিদেশি ও স্পন্সর-ডিরেক্টর মালিকানার অনুপাত বাড়লে প্রকৃত মুনাফা গোপনের প্রবণতা হ্রাস পায়। অন্যদিকে, প্রাতিষ্ঠানিক মালিকানা বাড়লে প্রকৃত মুনাফা গোপনের প্রবণতা বাড়ে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বল্প মেয়াদে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করেন। ফলে, দীর্ঘমেয়াদে  কোম্পানির সুশাসন নিশ্চিত করার চেয়ে, স্বল্পমেয়াদে লেনদেনের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করে উচ্চ মুনাফা অর্জন তাদের মূল উদ্দেশ্যে পরিণত হয়।

গবেষণার আরো দেখা যায় যে, বাংলাদেশে করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড প্রকৃত মুনাফা ব্যবস্থাপনা সীমাবদ্ধ করতে উপকারী ভূমিকা পালন করতে পারেনি।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে একমত পোষণ করে ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, প্রকৃত মুনাফা ব্যবস্থাপনা মানেই সব সময় খারাপ নয় বরং তার দীর্ঘমেয়াদের প্রভাব কেমন তার ওপর ভিত্তি করে আমাদের মন্তব্য করা উচিত।

যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে নতুন যেসব আইন বা নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে তার প্রভাব কেমন সেটাও আমাদের বিবেচনায় আনা দরকার।

এছাড়াও, ইনস্টিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদা আক্তার বলেন, বাংলাদেশের এই এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার প্রাক্কালে গুড গভর্ন্যান্স খুবই জরুরি এবং আর্থিক তথ্যের সঠিক বিবরণী এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। 

অনুষ্ঠানে বিআইসিএমের অনুষদ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ঢাকা/এনটি/এসএন 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে