Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

লভ্যাংশ দেওয়ার নির্দেশনা প্রত্যাহার দাবি বিনিয়োগকারীদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:১১, ২ মার্চ ২০২১  
লভ্যাংশ দেওয়ার নির্দেশনা প্রত্যাহার দাবি বিনিয়োগকারীদের

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নগদ লভ্যাংশের হার ১৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে জারি করা নতুন নীতিমালা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভপতি এ.কে.এম মিজান-উর রশীদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে এ দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছেন বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নীতিমালা জারির পর থেকেই শেয়ারে বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।  ফলে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে অতিদ্রুত এ নীতিমালা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য গভর্নরের কাছে দাবি জানিয়েছি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি দিয়েছেন। সম্প্রতি দায়িত্ব নেওয়ার পর পুঁজিবাজারে উন্নয়নে চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন কমিশন বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, যা পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সবার কাছে প্রশংসনীয়। পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে আপনার তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা বিনিয়োগকারীরা কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করার অনুরোধ করছি।’

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ২৪ ফেব্রুয়ারির জারি করা ডিএফআইএস সার্কুলারের বিষয়ে সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা লক্ষ্য করেছি, ওই সার্কুলার জারির পর থেকে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামের ওপর নেতিকবাচক প্রভাব পড়েছে। বর্তমান বিএসইসির চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর সবার সহযোগিতায় বাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছিল কিন্তু আপনার দেওয়া সার্কুলার আসার পর থেকে বাজার অস্থিতিশীল তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এর ফলে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশিত লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্ষতির মধ্যে পড়বে।’

তানিম/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে