ঢাকা     বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২২ ১৪২৯ ||  ০৬ জিলহজ ১৪৪৩

ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংসহ ব্রোকারেজ ব্যবসায় ক্যাল সিকিউরিটিজ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:১৫, ২৫ মে ২০২২  
ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংসহ ব্রোকারেজ ব্যবসায় ক্যাল সিকিউরিটিজ

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং এবং ব্রোকারেজ ব্যবসা শুরু করছে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কান বহুজাতিক কোম্পানি ক্যাল সিকিউরিটিজ। আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছে।

বুধবার (২৫ মে) রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ক্যাল সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান অজিত ফার্নান্দো, পরিচালক দিনেশ পুষ্পরাজা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজেশ সাহা, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জুবায়ের মহসনি কবির, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব রিসার্চ আহমেদ ওমর সিদ্দিক।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা পরিকল্পনা তুলে ধরেন কোম্পানির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, বিনিয়োগকারীকে সঠিক বিনিয়োগে সহায়তা করতে রিসার্চ ভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করতে চান।

পুঁজিবাজারে ব্রোকারেজ ব্যবসা করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ার বেচাকেনা করতে পারবেন।

শুধু ব্রোকারেজ ব্যবসায় নয়, এই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানটি বেটা ওয়ান মার্চেন্ট ব্যাংককে বিনিয়োগ করেছে। যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মালিকানা পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটি ক্যাল ইনভেস্টমেন্ট নামে পরিচালিত হবে।

অজিত ফার্নান্দো বলেন, ক্যাল বাংলাদেশ গতানুগতিক ব্যবসার বাইরে গিয়ে ব্রোকারেজে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে চায়। ব্যবসা শুরুর আগেই বাংলাদেশের ম্যাক্রো অর্থনীতির ওপর একটি গবেষণা করেছে, যাতে দেখা গেছে বাংলাদেশে আগামী ২০২৬ সাল নাগাদ বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ফলে পুঁজিবাজারও অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় তারা।

কোম্পানির পরিচালক আহমেদ রায়হান শামসি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে নতুন করে অবদান রাখতে চায় ক্যাল বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী ফ্রন্টিয়ার মার্কেটে প্রতিষ্ঠানটির ২২ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই ব্যবসা শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে, যা বাংলাদেশের সুনাম বা ব্রান্ড ইমেজ বাড়বে। বৈশ্বিক বিনিয়োগও ত্বরান্বিত করবে।

ঢাকা/এনটি/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়