Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

টিএসসিতে টাইলসের পরিবর্তে ঘাস চায় শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৫৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
টিএসসিতে টাইলসের পরিবর্তে ঘাস চায় শিক্ষার্থীরা

ফাইল ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্ত্বর টাইলসের পরিবর্তে ঘাস চায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর এ টাইলস বসানো সংক্রান্ত চিঠি দিলে তার বিপরীতে শিক্ষার্থীরা সেখানে ঘাস দেওয়ার দাবি জানান।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সদস্য রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য টাইলস লাগানোর ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামক একটি গ্রুপে ওই চিঠির ছবি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে কমেন্ট করে শিক্ষার্থীরা পায়রা চত্ত্বরে টাইলসের পরিবর্তে ঘাস লাগানোর দাবি জানান।

মো. আব্দুর রহমান নামে একজন পোস্টে কমেন্ট করে লিখেছেন টাইলস সমর্থন করছি না। বরং ভালো মাটি দিয়ে উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে কিছুটা ঢালু করে দেওয়া যায়। ফলস্বরূপ বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হবে।

মো. মাহামুদুল হাসান জেপু লিখেছেন, ‘এটা সুন্দর হচ্ছে না, টাইলস ভিজলে যে পিচ্ছিল হয় পড়ে মাথা ফাঁটবে, মাটি টারেই কোন ভাবে ঘাস লাগিয়ে কিছু করা দরকার। টাইলস না।’

এ বিষয়ে ডাকসু সদস্য ঐতিহ্য বলেন, ‘টিএসসি একটি বহুল ব্যবহৃত জায়গা। এখানে রাত দিন একরকম। শিক্ষার্থীরা চাচ্ছে এখানে টাইলসের বদলে ঘাস লাগানো হোক। আমি চেয়েছিলাম। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। শত শত শিক্ষার্থী হাঁটাহাঁটি করে। যার ফলে ঘাস উঠবে না। ঘাস তুলতে চাইলে অন্তত ৬ মাস জায়গাটার উপর চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। কিন্তু তা অসম্ভব। আমরা বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে এটা করার উদ্যোগ নিতে চাচ্ছিলাম। শিক্ষার্থীদের যদি ভিন্নমত হয় এরকমও করা যায় যে টাইলস এক সারি আর এক সারি ঘাস থাকবে।’

 

ঢাকা/ইয়ামিন/সনি

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে