ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

করোনার ছুটিতে যা করবে শিক্ষার্থীরা

আবু বকর ইয়ামিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৮ ৫:০৩:০৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২৮ ৫:০৩:০৩ পিএম

করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশে ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রথমে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে এই সময়সীমা ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। দীর্ঘ এই ছুটিতে শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে কী করবে, সে বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা অবশ্যই পাঠ্যবই পড়বে। করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে নিজেরা সচেতন থাকার পাশাপাশি পরিবারের অন্যদেরও সচেতন করে তুলবে।  এক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারে তারা।  এছাড়া, অনলাইনে শিক্ষকদের সঙ্গে বিভাগীয় বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করবে। অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার থাকলে সেগুলো দেবে।  ক্রিয়েটিভ কিছু করার চেষ্টা করবে। পাশাপাশি যে যার যার ধর্ম অনুযায়ী প্রার্থনা করবে।’

করোনা বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে ঢাবির ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত বলেন, ‘পাঠ্যবই পড়ার পাশাপাশি যেসব বিষয়ে তাদের জানা নেই, সেসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করতে হবে তাদের। সমাজে যারা এখনো করোনা সম্পর্কে সচেতন নয়, তাদের বোঝানো দায়িত্ব নিতে হবে।  এক্ষেত্রে ভিডিও দেখিয়ে বিভিন্ন দেশের সচেতনতামূলক পরামর্শগুলো অনুবাদ করে করে শোনাতে পারে তারা। সর্বোপরি সরকারের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা সম্পর্কেও জানাবে।’

দৈনিক দুই ঘণ্টা পাঠ্যবই পড়ার পরামর্শ দিয়ে  ইসলামি চিন্তাবিদ অধ্যাপক আব্দুর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী যে দুর্যোগ, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ পরিবারকে সচেতন করবে।  করোনার বিষয়ে নিজেরা সচেতন থাকবে, অন্যদেরও সচেতন করবে।  সাংস্কৃতিক চর্চা করবে।’

এদিকে,  শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে  ‘সংসদ টেলিভিশন’-এ ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম প্রচারের সিন্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) থেকে এই ক্লাস শুরু হবে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপারে শিক্ষকের মনিটরিং করার পরামর্শ দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, ‘শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর বাড়ির কাজ দেবেন। প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা খাতায় তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা দেবে। স্কুল খোলার পর স্ব স্ব স্কুলের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাজ জমা দেবে।’ এই বাড়ির কাজের ওপর প্রাপ্ত নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  


ঢাকা/ইয়ামিন/এনই