Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ২৭ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৩ ১৪২৮ ||  ২০ রবিউস সানি ১৪৪৩

ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ: পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ দেবে কর্তৃপক্ষ

আবু বকর ইয়ামিন  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৭, ২১ অক্টোবর ২০২১  
ফলাফলে অসঙ্গতির অভিযোগ: পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ দেবে কর্তৃপক্ষ

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল বুধবার। প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ফলে অসঙ্গতির অভিযোগে তুলছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল পাননি তারা। পরীক্ষা শেষে পাঠ্যবই, প্রাইভেট শিক্ষক, বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্ন সলভ করে যে নম্বর পাওয়ার কথা ছিল তার চেয়ে অনেক কম নম্বর পেয়েছেন তারা। পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান অংশের উত্তর ভরাট করার পরও প্রাপ্ত ফলাফলে কিছুই দেখাচ্ছে না। ভুল হলে নেগেটিভ নম্বর দেওয়ার কথা, তবে ফল প্রকাশের পর অনেকের বিষয়ভিত্তিক নম্বরের ঘর ফাঁকা দেখাচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার দাবি তোলেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, পরীক্ষা দিয়ে এসে কোচিং শিক্ষক, প্রাইভেট শিক্ষকদের সহযোগিতায় মিলিয়ে দেখি চান্স পাওয়ার মতো মার্ক আছে। কিন্তু রেজাল্টে দেখি প্রত্যাশার চেয়েও অনেক কম মার্ক। এটা কোনোভাবেই বোঝা যাচ্ছে না। ফল পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ দিলে ম‌্যারিটে জায়গা পাওয়ার প্রত্যাশা তাদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, যারা ফলাফলে অসন্তুষ্ট বা অসঙ্গতি হয়েছে বলে প্রশ্ন তুলছেন তাদের পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। আমরা সবসময়ই শিক্ষার্থী বান্ধব। শিক্ষার্থীদের সমস্যা হলে সেটা আমরা অবশ্যই দেখবো।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচকভাবেই তাদের দাবি দেখা হচ্ছে। যারা তাদের ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট না তাদের আমরা ফল পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ দেবো। ফল তৈরিতে আমাদের কোনো ভুল থাকলে প্রয়োজনে তা সংশোধন করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা এক হাজার টাকা ফি দিয়ে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন। তারপর সেটি মিলিয়ে দেখা হবে।

গত ১৭ অক্টোবর গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা দুইদিন পর গতকাল ফল প্রকাশ করে টেকনিক্যাল কমিটি। ফল প্রকাশের পর থেকেই ভর্তিচ্ছুরা এতে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে পুনঃনিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর জানান, ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষায় শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ শতাংশ। আর ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ৯৫।

/এনএইচ/

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়