ঢাকা     রোববার   ০৩ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ১৯ ১৪২৯ ||  ০৩ জিলহজ ১৪৪৩

শিক্ষা বিভাগের সব অফিসে অভিযোগ বক্স স্থাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৩৯, ২৬ মে ২০২২   আপডেট: ১৮:৪১, ২৬ মে ২০২২
শিক্ষা বিভাগের সব অফিসে অভিযোগ বক্স স্থাপনের নির্দেশ

ফাইল ছবি

সেবা গ্রহীতাদের হয়রানী বন্ধ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ও তার অধীন সকল দপ্তর সংস্থায় অভিযোগ বক্সগুলো সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক।

একইসঙ্গে এই অভিযোগ বক্সের চাবি থাকবে অফিস প্রধানের কাছে। তিনিই খুলবেন। মাসে একবার খোলা হবে এই অভিযোগ বক্স এবং খোলার পরে কোনো কিছু না পড়েই প্রত্যেক অভিযোগ আগে রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং প্রত্যেক মাসে অভিযোগের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় আলোচনা হবে বলে তিনি সভায় জানিয়েছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দুর্নীতির প্রতিবেদন এবং তা প্রতিরোধে করণীয় সংক্রান্ত সুপারিশমালার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক-এর সভাপতিত্বে সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অধীনস্ত বিভন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

মো. আবু বকর সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘শিক্ষা সব কিছুর উপরে। আমরা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি আলোকিত না হই তাহলে অন্যরা কীভাবে আলোকিত হবে। আমাদের উদাহরণ স্থাপন করতে হবে। আমাদের সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থার দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রদত্ত প্রতিবেদনের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।’

মো. আবুবকর ছিদ্দীক বলেন, ‘বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক এবং প্রশাসনিক অনিয়মও দুর্নীতির তথ্য উদঘাটনের দায়িত্ব পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের। মূলত এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির পঙ্কিলে নিমজ্জিত হওয়ার অভিযোগ করেছে দুদক।’

তিনি গত দশ বছরে দুর্নীতি অনুসন্ধানে এই প্রতিষ্ঠান কার্যকর কী পদক্ষেপ নিয়েছে তার প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। তাছাড়া শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বেনামে ঠিকাদারীর সাথে জড়িত কিনা তার তথ্য জানতে চেয়েছেন তিনি এবং পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের টেন্ডার প্রক্রিয়া, পাঠ্য বইয়ের পান্ডুলিপি কতিপয় প্রকাশকের নিকট অননুমোদিতভাবে সরবরাহসহ অবৈধ কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

ইয়ামিন/সনি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়