ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

৩ আন্তর্জাতিক উৎসবে ‘আমরা একটা সিনেমা বানাবো’

বিনোদন ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৫ ১১:৩১:০৪ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-১৫ ১১:৩১:০৪ এএম

তিনটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে ‘আমরা একটা সিনেমা বানাবো’।

আগামী ১৬-২২ অক্টোবর কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ‘৩৬তম বোগোতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’, ১৯ অক্টোবর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য ‘লা রাঁবো দ্যু সিনেমা’ এবং ১৯-২১ অক্টোবর ক্রোয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ‘চলচ্চিত্রে শব্দ ও সংগীত বিষয়ক আন্তর্জাতিক উৎসব’। এই তিন উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হবে পৃথিবীর ইতিহাসে দীর্ঘতম এই চলচ্চিত্র। এটি পরিচালনা করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক আশরাফ শিশির।

গত ১৬ মে, সেন্সর বোর্ডে প্রদর্শিত হয় এ চলচ্চিত্র। ১৯ মে, সেন্সর বোর্ড ছাড়পত্র প্রদান করে। একই উদ্যোগে একই শিল্পী ও কুশলী নিয়ে নির্মিত ফিকশন বা কাহিনিভিত্তিক চলচ্চিত্র হিসেবে এটিই পৃথিবীর ইতিহাসে দীর্ঘতম চলচ্চিত্র। যার দৈর্ঘ্য ২১ ঘণ্টা। পরিচালক যাকে দাবি করছেন— ‘মুক্তদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র (Free Length Film)’ হিসেবে। ২০০৯ সালের মে মাসে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের মে মাস পর্যন্ত অর্থাৎ প্রায় ৯ বছর ঈশ্বরদীর রুপপুর, পাকশী ও পদ্মা নদীর তীরে ৪০০০ কলাকুশলী নিয়ে এর শুটিং সম্পন্ন করা হয়। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।

 

 

সম্পূর্ণ সাদাকালোয় নির্মিত চলচ্চিত্রটির কাহিনি গড়ে উঠেছে এমন এক জনপদকে ঘিরে, যেখানে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মধ্যে কয়েকজন নিষ্পাপ মানুষের সিনেমা নিয়ে বিপ্লবী হয়ে ওঠা, স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের গল্প। এ বিষয়ে পরিচালক বলেন, ‘তৃতীয় বিশ্বের ছোট্ট একটি দেশের ছোট্ট একটি শহরে আমাদের যে জীবন, তা ভীষণ সাদাকালো। আমরা যে স্বপ্নটুকু দেখি তা কিছুটা রঙ্গিন। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ মূলত: নিষ্পাপ, শুধু পরিস্থিতি পারিপার্শ্বিকতার কারণে তারা অনেক অন্যায় করতে বাধ্য হয়। সিনেমা বানানোর বিপ্লবের পাশাপাশি এখানে এমন এক নিষ্পাপ মানুষের গল্প রয়েছে, যে জীবনে একটি পিঁপড়াকেও হত্যা করেনি, অথচ সিনেমার শেষে সে একজনকে খুন করে এমন এক নারীর জন্য যাকে সে কোনোদিন দেখেনি।’

 

 

চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন—রাইসুল ইসলাম আসাদ, সুমনা সোমা, স্বাধীন খসরু, মাসুম আজিজ, প্রাণ রায়, আয়শা মুক্তি, তেরেসা চৈতি, এলিনা শাম্মী, অরণ্য রানা, দুখু সুমন, জান্নাত সোমা, ইমরান, স্মরণ, সৈকত, ইয়াসিন, টিটো, সানসি, অর্নব, লিজা, মানিক, সজীব, নুপুর, সুজয়, রাব্বী, উজ্জ্বল, দীপ, সাদ্দাম, তুয়া, তুর্য, মাঈশা, মিমো, সুপ্ত, বিশাল, মিন্টু, মানিক, লিটন, শুভ, অলক, ভাস্কর, সম্রাট, আজাদসহ চার হাজার শিল্পী। চলচ্চিত্রটির সংগীত পরিচালনা করেছেন রাফায়েত নেওয়াজ ও সম্পাদনা করেছেন সাব্বীর মাহমুদ। চিত্রগ্রহণ করেছেন মোহম্মদ আশরাফুল, সমর ঢালী ও সাব্বির। প্রধান শিল্প নির্দেশক সলিল মজুমদার।



ঢাকা/শান্ত  

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন