ঢাকা     বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২২ ১৪২৯ ||  ০৬ জিলহজ ১৪৪৩

এখনো সু-অভিনেতা হতে পারিনি: আলমগীর 

জ্যেষ্ঠ বিনোদন প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪০, ২৩ জুন ২০২২  
এখনো সু-অভিনেতা হতে পারিনি: আলমগীর 

তাকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘জীবন্ত কিংবদন্তী’ বলা হয়। নয়বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেও প্রশংসিত হয়েছেন। ১৯৭২ সালের ২৪ জুন চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। সে হিসেবে আগামীকাল এই নায়কের অভিনয় জীবনের সুবর্ণজয়ন্তী পূর্ণ হচ্ছে। 

৫০ বছর আগে, ১৯৭২ সালের এই দিনে আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘আমার জন্মভূমি’ চলচ্চিত্রের জন্য প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন আলমগীর। এ কারণে দিনটি আলমগীর ভক্ত এবং বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য বিশেষ হয়ে থাকবে।

এ উপলক্ষ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন ‘রাঙা সকাল’-এর একটি বিশেষ পর্বে হাজির হয়েছেন এই অভিনেতা। বিশেষ পর্বে নায়ক আলমগীর জানিয়েছেন, তার মুঠোফোনের ওয়াল পেপারে সব সময় তিনি প্রথম সিনেমা ‘আমার জন্মভূমি’র স্থিরচিত্র রেখে দেন।

এই নায়কের ভাষায়, ‘আমি সিনেমা খাই, সিনেমা পান করি, সিনেমাতে ঘুমাই, সিনেমাই আমার সব’। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আমার জন্মভূমি’ এবং ‘দস্যুরানী’ নামের দুটি ছবি একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৩ সালের ২৪ অক্টোবর, ঈদের দিন। মাত্র ২২ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বাকি ৫০ বছর চলচ্চিত্রের সাথেই আছেন।

জীবনের সিংহভাগ সময় অভিনয়কে দেওয়ার পরও আলমগীরের নিজেকে নিয়ে মন্তব্য, ‘এখনো সু-অভিনেতা হতে পারিনি। কারণ শিল্পী হওয়া এত সহজ নয়। অভিনয়ে পূর্ণমান ১০০-তে নিজেকে পাস মার্কস দিতে রাজি; এর বেশি নয়’।

১৯৮৫ সালে প্রথম ‘মা ও ছেলে’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান আলমগীর। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ টানা ৪ বছর শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি, যা আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

দুই ঘণ্টাব্যাপী ‘রাঙা সকাল’-এর বিশেষ এই পর্ব প্রচারিত হবে আগামীকাল (শুক্রবার) সকাল ৭টায়। উপস্থাপনায় রুম্মান রশীদ খান ও লাবণ্য। প্রযোজনায় জোবায়ের ইকবাল।

ঢাকা/রাহাত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়