ঢাকা     সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৬ ১৪২৭ ||  ০৩ সফর ১৪৪২

মাতৃ মৃত্যুহার বাড়ার কারণ অতিরিক্ত সিজার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৫৫, ৪ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
মাতৃ মৃত্যুহার বাড়ার কারণ অতিরিক্ত সিজার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে মাতৃ মৃত্যুহার বাড়ার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত সিজারকে দায়ি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। এজন্য বেসরকারি হাসপাতালেকে সরাসরি দায়ি করেছেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে 'জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য কৌশলপত্র ২০১৯-২০৩০' ও এসওপি'র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মাতৃমৃত্যু রোধে ও উন্নত মাতৃস্বাস্থ্য সেবার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, ডব্লিউএইচও, ইউএসএআইডি এবং সেভ দ্যা চিলড্রেনের সার্বিক সহযোগিতায় এ কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালে সিজারের পরিমাণ বেশি থাকলেও অনেকাংশে কমানো হয়েছে। ভবিষ্যতে আরো কমানো হবে। তবে বেসরকারি হাসপাতালে এখনো ৮০ শতাংশ শিশুর জন্ম সিজারের মাধ্যমে হচ্ছে। মাতৃ মৃত্যুহার কমাতে সিজারের সংখ্যাকে কমাতে হবে। ’

প্রসূতি মায়েরা অপুষ্টিতে ভোগেন বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এজন্য শিশুরা জন্মের সময় কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়। এ দিকটায় আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। ’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘অনেক সমালোচনার পরও আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি। এ সেবা আরো বাড়ানো হবে। ’

ভারতের চেয়েও বাংলাদেশের চিকিৎসা খাত বেশি উন্নত বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী এ কে এম মহিউল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. এহতেশামুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী 'জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য কৌশলপত্র ২০১৯-২০৩০' ও এসওপি'র মোড়ক উন্মোচন করেন। তাছাড়া মা ও শিশু কল্যাণ এর বিশেষ অবদান রাখায় দেশের ৬২টি মেডিকেল কলেজ, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, ১০০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রকে নিরাপদ মাতৃত্ব পুরস্কার দেন তিনি।

 

ঢাকা/নূর/সাজেদ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়