Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

‘আমরা করোনাভাইরাস তৈরি করিনি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৫:১৮, ২৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
‘আমরা করোনাভাইরাস তৈরি করিনি’

করোনাভাইরাস চীনারা তৈরি করেনি এবং বিশ্বব্যাপী এটা ছড়িয়ে দেয়নি বলে দাবি করেছেন ভারতীয় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং।

বুধবার (২৫ মার্চ) তিনি এমনটি দাবি করেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। জি রং বলেন, ‘আমরা করোনাভাইরাস তৈরি করিনি। আর এটিকে আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়েও দেইনি।’

এসময় জি রং বলেন, ‘বিশ্বের দেশগুলোর উচিত চীন যেভাবে করোনাভাইরাস ঠেকিয়েছে সেটিতে মনোযোগ দেওয়া।’

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়। ভাইরাসটি এখন প্রায় পুরো বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের থেকেই ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস।

এদিকে অনেক বিশেষজ্ঞই দাবি করেছেন, চীনই এই ভাইরাস বানিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও করোনাকে চীনের ভাইরাস হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন।

ইতোমধ্যে চীনের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে ২০ লাখ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করছেন মার্কিন আইনজীবী ল্যারি
ক্লেম্যান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসটি চীন ‘যুদ্ধের জৈবিক অস্ত্র’ হিসেবে তৈরি করেছে। চীনের ইচ্ছা বা অনিচ্ছা যেভাবেই হোক এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় মার্কিন আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ও নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে।’

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘মার্কিন সেনা অথবা অন্য কোনও দেশ যারা চীনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে, তাদের ধ্বংস করতেই এই মরণ ভাইরাস তৈরি করেছে চীন। চীনের উহানের ল্যাবরেটরি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।’

 

ঢাকা/জেনিস

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে