ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলায় তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-১০ ৫:০০:২১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-১০ ৫:০০:২১ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকীর দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে দারুস সালাম পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অপর ১০ আসামি হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, দলটির মহানগর উত্তর কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল সোহেল, জামায়াতে ইসলামীর রোকন ও শাহ আলী বাগদাদী (রা.) কামিল মাদ্রাসার সাময়িক বহিষ্কৃত উপাধ্যক্ষ আফজাল হোসেন, মাদ্রাসার অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও আবদুল করিম, হাফেজ মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, আমিনুল হক বাবু এবং ফারুক আহমদ। আরো ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, এ বি সিদ্দিকী গত ৬ ডিসেম্বর শাহ আলী মাজারের কাছে যান। সেখানে বিএনপি নেতা রবিউল আউয়াল সোহেলের হুকুমে বিএনপির চার/পাঁচজন কর্মী নিজেদের আওয়ামী ওলামা লীগের লোক বলে পরিচয় দেয়। তারা বলেন, ‘আপনি (এ বি সিদ্দিকী) তো খালেদা জিয়া এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা করেছেন। আমরা মিরপুরের বিএনপি নেতা রবিউল আউয়াল সোহেল ও জামায়াতের নেতাদের সরকারবিরোধী কার্যকলাপের গোপন বৈঠকের তথ্য সংগ্রহ করেছি। এ ব্যাপারে মামলা করার জন্য আপনার সাথে পরামর্শ করতে চাই।’

তারা এ বি সিদ্দকীকে রাস্তার অপর পাশে তাদের অফিসে নিয়ে যেতে চান। এ বি সিদ্দকী সময় চান। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ওটা বিএনপি নেতা রবিউল আউয়ালের ভবন। সেখানে রবিউল আউয়াল জামায়াত শিবিরের ক্যাডারদের নিয়ে সরকারবিরোধী গোপন বৈঠক করেন। ওই ভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের অফিস হয় কীভাবে? ফলে তার সন্দেহ হয়, এরা রবিউল আউয়ালের ক্যাডার।

ওই ব্যক্তিরা এ বি সিদ্দিকীকে ওই ভবনে নিয়ে যেতে জোর করেন। নিরাপত্তার কারণে সেখানে যাননি এ বি সিদ্দিকী। পরে তারা স্বীকার করে তারা বিএনপি, জামায়াতের লোক। তাদের রবিউল আউয়াল পাঠিয়েছেন ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ‘আপনি যেতে রাজি হচ্ছেন না, আপনাকে তো জোর করে নিয়ে যাওয়া যাবে না। আপনাকে ছেড়ে দিচ্ছি। তবে একটা শর্ত- বিএনপির নেতারা বলেছেন, তাদের নেতা (তারেক রহমান) নির্দেশ দিয়েছেন, খালেদা জিয়া এবং সকল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে ২১ আগস্টের মতো শেখ হাসিনার পরিবার এবং তার পরিবারের সদস্যদের আইএস দিয়ে খুন করা হবে।’

বাদী আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করলে পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।


ঢাকা/মামুন খান/সাজেদ