ঢাকা     শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭ ||  ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

মাস্ক-পিপিই দুর্নীতি: তিন ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ বুধবার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৯, ৭ জুলাই ২০২০  

মাস্ক-পিপিই ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে মেসার্স জেএমআই হাসপাতাল ও এলান করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবং তমা কনস্ট্রাকশনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে আগামীকাল জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে তাদের দুদকে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে।

গত ১ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির পরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী তাদের তলবি নোটিশ দেন।

তলবি নোটিশে মেসার্স জেএমআই হাসপাতাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমাটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, তমা কনস্ট্রাকশনের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমান ও এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনকে হাজির হতে অনুরোধ করা হয়।

একই দিনে মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের চেয়ারম্যান ও লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইজ ও টেকনোক্র্যাট লিমিটেডের মালিক মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুকে ৯ জুলাই রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

তলবি নোটিশে বলা হয়েছে,‍ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করার মাধ‌্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বক্তব্য গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। 

গত ২১ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের যথাক্রমে সচিব, মহাপরিচালক ও পরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়। গত ১৫ জুন চার সদস্যের টিম গঠন করা হয়। অনুসন্ধান দলের অন‌্য সদস্যরা হলেন—দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।

গত ১০ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ে থেকে এক জরুরি বৈঠকে করোনাকালে এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি-প্রতারণা বা জাল জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

এন-৯৫ মাস্ক এবং পিপিই ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি বা প্রতারণার কিছু অভিযোগ দুদকের হটলাইনে (১০৬) আসে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডির ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।

 

 

ঢাকা/এম এ রহমান/রফিক

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়