ঢাকা     সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭ ||  ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সাহেদ ১০ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০১, ১৫ জুলাই ২০২০  
সাহেদ ১০ দিনের রিমান্ডে

করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া রিপোর্টসহ বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এছাড়া, একই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজের ১০ দিন ও সাহেদের সহযোগী তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি কে এম সাজ্জাদুল হক শিহাব, হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন তিন আসামির ১০ দিন করেই রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন।

আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন, মনিরুজ্জামান, শাহ আলম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে সাহেদ ও মাসুদ পারভেজের ১০ দিন করে ও তারেক শিবলীর পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বেলা ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে ডিবি পুলিশ আসামিদের আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নিয়ে যায়।

এদিকে সাহেদের হাজিরাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস‌্য।

১৫ জুলাই সাহেদ করিম গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাহেদকে বুধবার ভোরে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়। র‌্যাবরে সদর দপ্তরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে নিয়ে রাজধানীর উত্তরায় তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়। একদিন পর গত ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিলেন। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত সাহেদসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

** যেভাবে প্রতারণার জাল বুনতেন সাহেদ

** সাহেদের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

** ডিবি কার্যালয়ে সাহেদ

** সাহেদ খুবই চতুর, ধুরন্ধর ও অর্থলিপ্সু: র‌্যাব ডিজি

** উত্তরায় সাহেদের ব্যক্তিগত কার্যালয় ঘিরে রেখেছে র‍্যাব

** সাহেদকে নিয়ে র‌্যাবের ব্রিফিং বিকেল ৩টায়

** রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ গ্রেপ্তার

** হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হলো রিজেন্ট সাহেদকে

 

ঢাকা/মামুন/ইভা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়