RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭ ||  ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

বাসে অগ্নিসংযোগের মামলায় গ্রেপ্তার ৩

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৭, ২১ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:২৩, ২১ নভেম্বর ২০২০
বাসে অগ্নিসংযোগের মামলায় গ্রেপ্তার ৩

পল্টনে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তর করা হয়।  তারা হলেন- মো. লিয়ান হক, কাজী রেজাউল হক বাবু ওরফে জিম বাবু ও মো. আজাদ।

শনিবার (২১ নভেম্বর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার আরও জানান, গত ১২ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন বিএনপি অফিসের সামনে আকস্মিক ছাত্রদল যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে মিছিল করে।  মিছিলটি বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় ঘুরিয়ে বিএনপি অফিসের সামনে এসে উশৃঙ্খল হয়ে যায়। প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের ধারণকৃত ছবি, ভিডিও ফুটেজ এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে মিছিলটি শেষ করে কতিপয় বিএনপির পার্টি অফিসের বিপরীতে অবস্থিত কর অঞ্চল ১০ ঢাকা এর কার্যালয় এর সামনে তারা সরকারি বাসে অগ্নিসংযোগ করে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে একই দিনে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোট ১১ টি বাসে অগ্নিসংযোগ দেওয়া হয়।  এসব বিষয়ে পরে মতিঝিল বিভাগের পল্টন ও মতিঝিল থানায়  মোট ৪টি মামলা রুজু করা হয়।
 পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিভিন্ন সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ছবি ভিডিও ফুটেজ এবং সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা করে গোয়েন্দা মতিঝিল বিভাগ তিন জনকে শনাক্ত করে।  পরে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়।  লিওন পল্টন থানা সাবেক যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জিমবাবু পল্টন থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আজাদ যুবদলকর্মী। 

গ্রেপ্তারের পর তারা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন নেতৃস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তারা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে।  ঘটনার পরপরই তারা আত্মগোপনে চলে যায়।  শীর্ষস্থানীয় ওইসব নেতা কারা তাদের অনেকাংশে শনাক্ত করা হয়েছে।  এছাড়া ইমতিয়াজ নামের একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সেই মূলত বিভিন্ন বাসে অগ্নিসংযোগের প্রধান ভূমিকায় কাজ করে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন কাজ করছে।

মাকসুদ/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়