RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ২০ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ৬ ১৪২৭ ||  ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পাপুল ও তার ৩ ঘনিষ্ঠ ব‌্যক্তির সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:১৩, ২৫ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:২৮, ২৫ নভেম্বর ২০২০
পাপুল ও তার ৩ ঘনিষ্ঠ ব‌্যক্তির সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস‌্য কাজী সহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার ঘনিষ্ঠ ব‌্যক্তি মো. আলতাপ হোসেন হাওলাদার, কাজী মো. জামশেদ কবির (বাকী বিল্লাহ) ও মো. ইসমাইল খোকনের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ ইস্যু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পৃথক পৃথক নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সংস্থাটির পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এসব তথ‌্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম এমপি ও তার মেয়ে ওয়াইফা ইসলামের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ ইস্যু করা হয়।

দুদকের পরিচালক মো. আকতার হোসেন আজাদের সই করা নোটিশে উল্লিখিত ব‌্যক্তিদের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল মানুষদের নামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুদক আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ১১ নভেম্বর পাপুল, তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এবং মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। জেসমিন প্রধানের পাঁচটি হিসাবের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত পাচার করা হয় ১৪৮ কোটি টাকা। অথচ ২৩ বছর বয়সী জেসমিনের নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। অন্যদিকে, এফডিআর হিসাবের ২ কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৮ টাকার কোনো উৎস দাখিল করতে পারেননি জেসমিন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রাখার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হওয়ায় পাপুল, সেলিনা ইসলাম, জেসমিন প্রধান ও ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় এবং প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঢাকা/এম এ রহমান/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়