Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

যেভাবে কারামুক্ত হবেন কিশোর

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:০৩, ৩ মার্চ ২০২১   আপডেট: ২০:২৯, ৩ মার্চ ২০২১
যেভাবে কারামুক্ত হবেন কিশোর

‘সরকাবিরোধী প্রচার ও গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তারের ১০ মাস পর জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর। এখন কিছু প্রক্রিয়া শেষে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হবেন।

বুধবার (৩ মার্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।

কিশোরের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ১ মার্চ কিশোরের জামিন শুনানি হয়। আজ বুধবার (৩ মার্চ) তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত।

গত ৬ মে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের সঙ্গে রাষ্ট্রচিন্তা সংগঠনের দিদারুল ভূইয়া, লেখক মুশতাক আহমেদ ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। দিদারুল ও মিনহাজ মান্নান জামিন পেলেও কিশোর ও মুশতাকের আবেদন নাকচ হয় কয়েক দফা। এর মধ্যে গত ২৫ মে কারাগারে মৃত্যু হয় লেখক মুশতাক আহমেদের।   

কিশোর কীভাবে কারামুক্ত হবেন- সেই বিষয়ে জানতে চাইলে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘জামিনের আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সেটি পাওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়া হলো, হাইকোর্ট বিভাগ থেকে সেটি প্রসেস হয়ে কিছু দপ্তর ঘুরে যেতে হয় সিএমএম আদালত বরাবর। সিএমএম তখন আদেশ পাঠাবেন জেলখানায়। জেলখানায় পাঠানোর পর তিনি বের হয়ে আসবেন। এই হলো পদ্ধতি।’

২০২০ সালের ৫ মে র‌্যাব-৩ এর কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ১১ জনের নামে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এ মামলায় অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়।

গত ১৩ জানুয়ারি এই মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তা সংগঠনের সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে রমনা থানা পুলিশ। যেখানে জুলকারনাইন খান ওরফে সামিসহ আট জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে নির্দেশ দেন।

পড়ুন: জামিন পেলেন কার্টুনিস্ট কিশোর 

মামুন/বকুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে