ঢাকা     বুধবার   ২৫ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪২৯ ||  ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩

সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে ঘর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৫১, ১৩ মে ২০২২  
সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে ঘর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে জমি দখল করতে ঘর ভাঙচুর, মিথ্যা মামলা দায়ের ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছে একটি পরিবার। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (১৩ মে) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রহিমা বেগম জানান, ভেদরগঞ্জ পৌরসভার গৈড্যা এলাকার ৪৪ নম্বর মৌজায় পৈত্রিক সূত্রে তার শ্বশুর মুনছুর আলী ও সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নানের দাদা নেওয়াজ আলী জমির মালিক হন। রহিমার স্বামী আবুল বাশার ও প্রবাসী বড় ছেলে সুলতান ক্রয়সূত্রে কিছু জমির মালিক হন। ২৫৩৬ নম্বর খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে প্রায় ১৮ শতাংশ ও পিপি খতিয়ানের ৩০৬ নম্বরে কিছু জমি রেকর্ডভুক্ত হয়। সাবেক মেয়র প্রভাব খাটিয়ে কিছু জমি নিজের ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে রেকর্ড করান। প্রায় ৫২ শতাংশ জমির রেকর্ড পাওয়ার কথা থাকলেও রহিমার পরিবার ১৭.২৫ শতাংশ জমির রেকর্ড পায়। জমি দখল করতে সাবেক মেয়র তাদের ঘর ভাঙচুর করে টিনে এসিড ছিটিয়ে নষ্ট করে দেয়। ২০১৮ সালের ৪ মে রহিমার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং রহিমার সৌদি আরব প্রবাসী ছেলেকে মেরে লাশ গুমের হুমকি দেন সাবেক মেয়র। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করলে শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মোমিনের নির্দেশে ভেদরগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কল্লোল কুমার দত্ত উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে হাজির হতে বলেন। কিন্তু তারা সেখানে উপস্থিত হলেও সাবেক মেয়র হাজির হননি।

তিনি আরও জানান, প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ভেদরগঞ্জ থানায় জিডি করা হয় (জিডি নং-১০৮, তাং- ০৪/০৫/২০১৮ ইং)। জমি উদ্ধারে ভেদরগঞ্জ কোর্টে একটি মামলা করা হয় (মামলা নং-৯৮/১৪)। ওই জমির বিআরএস গেজেট ও মিউটিশন আছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—মো. আবুল বাশার ও আলী হোসেন।

এদিকে, রহিমা বেগমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আপনারা (সাংবাদিক) তদন্ত করে দেখতে পারেন। এ বিষয়ে এসপি, ইউএনও ও থানার ওসি জানেন।’

মাকসুদ/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়